শীতকালে শরীর উষ্ণ রাখে যেসব খাবার!

শীতকালে শরীর উষ্ণ রাখে যেসব খাবার!
সংগৃহীত
নিয়মিত মধু খেলে এটি শরীর উষ্ণ থাকতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে কুসুম গরম পানিতে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেলে শরীর উষ্ণ থাকবে।

বইতে শুরু করেছে শীতের কনকনে হাওয়া। আর আমাদেরও শুরু হয়ে গিয়েছে শীতের সঙ্গে লড়াই। একাধিক গরম কাপড়, গরম চা -কফি, হিটার, গিজার কত শত হাতিয়ার এ লড়াইয়ে। তবে এতোসব হাতিয়ারের সাথে আমাদের দরকার খাদ্য তালিকায় বিশেষ কিছু খাবার রাখা    যা এই শীতে শরীর উষ্ণ রাখতে সাহায্য করবে।

তাই জেনে নিন বেশ কিছু খাবার আছে যেগুলো শীতে আপনার শরীর উষ্ণ রাখার পাশাপাশি শক্তি জোগাতেও সাহায্য করবে।

 

মধু

 

 

শীত কিংবা গরম মধুর উপকারিতা স্বীকার করবেনা এমন মানুষ খুজে পাওয়া মুশকিল।  মধু প্রাকৃতিকভাবেই উষ্ণ। এ কারণে পুষ্টিবিদরা গরমে অতিরিক্ত মধু খেতে বারণ করে। একই কারনে শীতে এটি শরীরের জন্য অনেকটাই উপকারী। নিয়মিত মধু খেলে এটি শরীর উষ্ণ থাকতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে কুসুম গরম পানিতে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেলে শরীর উষ্ণ থাকবে। এছাড়াও মধু সর্দি, কাশি ফ্লু থেকে মুক্ত রেখে শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

 

মাটির নিচে জন্মানো সবজি

 

 

শীতকালে বাজার থাকে টাটকা সবজিতে ভরপুর। মাটির নিচে জন্মায় শেকড় জাতীয় এমন অনেক সবজি বাজারে দেখা মেলে। যেমন গাজর, মুলা, শালগম, মিষ্টি আলু এগুলো শরীর উষ্ণ রাখে। এগুলো হজম ধীরগতিতে হয় যা শরীরে বেশি তাপ উৎপন্ন করে। তাই শীতে মাটির নিচে জন্মায় এমন সবজিগুলোকে খাদ্যতালিকায় রাখার চেষ্টা করুন। 

 

ঘি

 

 

 

এই শীতে আপনার প্রতিদিনকার রান্নায় রাখতে পারেন ঘি এর ছোয়া। কারন দেশি ঘিতে থাকা চর্বি শরীরকে উষ্ণ রাখে। শুধু তাই নয়, ঘি হজমে সহায়তা করে, কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ঠান্ডাজনিত ফ্লু থেকে রক্ষা করে। তাই কয়েক ফোঁটা ঘি ডাল, সবজি অথবা তরকারিতে মেশাতে পারেন।

 

আদা

 

 

শীতের সকালের শুরুটা আমরা সাধারণত চায়ের কাপে চুমুক দিয়েই শুরু করি। শীতের  সকালে চা যেহেতু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে সকালে পান করুন এক কাপ আদা চা। 

থার্মোজেনিক উপাদানের কারণে আদা শরীর উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে। এটি হজমে সহায়তা করে এবং রক্ত প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। তাই সকাল সকাল এক কাপ আদা চা হলে মন্দ হয় না বরং সারাদিন আপনাকে চনমনে রাখতে সাহায্য করবে।

 

শুকনো ফল

 

 

কাজু বাদাম, চিনা বাদাম, ক্যাশনাট এসব শুকনো ফল শরীর উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে। এগুলো আয়রন এবং ভিটামিনের অভাবজনিত রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এসব চাইলে কাঁচাও খেতে পারেন  অথবা সালাদ বা দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন।

 

তুলসী

 


 

 

ঔষধি গুণে তুলসীর কতটা দক্ষতা সে  কথা সবারই জানা। এটি ভিটামিন সি, এ, জিংক এবং আয়রন সমৃদ্ধ যা শরীর ঠান্ডা জনিত রোগপ্রতিরোধে সাহায্য করে। তুলসীর পাতা শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ঠান্ডা আবহাওয়ায় শরীর উষ্ণ রাখতে পারে।

 

 ডিম

 

 

ডিমের চাহিদা কোনো ঋতুতেই নেহাত কম নয়। কিন্তু  শীতকালে এর গুনের কারনে এর চাহিদা বেড়ে যায়। কারন শক্তির আঁধার হিসেবে পরিচিত ডিমে প্রোটিন এবং ভিটামিন ভরপুর যা শীতে শরীর উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে।