ইসবগুলের ভুসির যত গুণাগুণ!

ইসবগুলের ভুসির যত গুণাগুণ!
ইসবগুলের ভুসির যত গুণাগুণ!
ইসবগুলের ভুসিতে ফাইবার উপস্থিত থাকায় হজম প্রক্রিয়া অনেক ধীরগতিতে হয়। তাই ক্ষুধা অনেক কম লাগে। এটি খেলে ওজন কমানো অনেক সহজ হয়ে যায়।

ইসবগুলের ভুসি কমবেশি সবার কাছেই পরিচিত। এর রয়েছে নানা উপকারিতা। রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। শরীরের বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ পাচনতন্ত্রের সমস্যায় প্রতিকার হিসেবে কাজ করে ইসবগুলের ভুসি। 

 


রক্তে কোলেস্টেরল কমায়
ইসবগুলের ভুসি রক্ত কোলেস্টেরলের মাত্র কমিয়ে আনতে সাহায্য করে৷ এটি খাওয়ার কারণে আমাদের অন্ত্রে একটি স্তর তৈরি হয় যা কোলেস্টেরল শোষণে বাঁধা তৈরি করে। যার ফলে যাদের হৃদরোগের সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য এটি বেশ উপকারী।

 

কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে
ইসবগুলের ভুসি কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে। এতে থাকা অদ্রবণীয় ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য রোগীদের মল নরম করে দেয়। ফলে খুব সহজেই ইলিমিনেশন সম্ভব হয়। প্রতিদিন ইসবগুলের ভুসি খেলে এই সমস্যা থেকে নিস্তার পাওয়া সম্ভব। 

 

 

ওজন কমাতে সাহায্য করে
ইসবগুলের ভুসিতে ফাইবার উপস্থিত থাকায় হজম প্রক্রিয়া অনেক ধীরগতিতে হয়। তাই ক্ষুধা অনেক কম লাগে। এটি খেলে ওজন কমানো অনেক সহজ হয়ে যায়। তাই যারা ওজন কমাতে চান তারা নিয়মিত ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। 

 

ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে
ইসবগুলের ভুসি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। এতে থাকা জিলাটিন নামক উপাদান দেহে গ্লুকোজের শোষণ ও ভাঙার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। ফলে রক্তে সহজে সুগারের পরিমাণ বাড়তে পারে না। তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ইসবগুলের ভুসি দারুণ উপকারী।

 

 

অ্যাসিডিটি কমায়
নিয়মিত ভুসি খেলে আমাদের অ্যাসিডিটির সমস্যা অনেকাংশে কমে যায়। ভুসিতে থাকা ফাইবার আমাদের পাকস্থলীতে একটি স্তর তৈরি করে। যেটা আমাদেরকে অ্যাসিডিটির হাত থেকে রক্ষা করে।