ইফতারে ডাবের পানির উপকারিতা

ইফতারে ডাবের পানির উপকারিতা
ইফতারে ডাবের পানির উপকারিতা
ডাবের পানিতে রয়েছে অল্প পরিমাণে ফ্যাট, কার্বো-হাইড্রেড ও অন্যান্য পুষ্টিগুণ।  ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, ম্যাংগানিজ, সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ভালো সমন্বয় রয়েছে ডাবের পানিতে। ডাবের পানির ১০০ ভাগের মধ্যে ৯৪ ভাগই পানি। আমাদের শরীরের পটাশিয়ামের ঘাটতি কমাতেও ডাবের পানি খুব উপকারী।

চলছে পবিত্র রমজান মাস৷ তীব্র গরমে সারাদিন রোজা রেখে অনেকের শরীরেই পানিশূন্যতা দেখা দেয়। আসে ক্লান্তি। এসময় ডাবের পানি আপনার ক্লান্তি ও অবসাদ দূর করতে সাহায্য করবে। কারণ ডাবের পানিতে প্রোটিন, ফ্যাট, কার্বো-হাইড্রেড, ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে। তাছাড়া বর্তমান গরম আবহাওয়া বিবেচনাতেও ডাবের পানি অনেক কার্যকর।


ডাবের পানিতে রয়েছে অল্প পরিমাণে ফ্যাট, কার্বো-হাইড্রেড ও অন্যান্য পুষ্টিগুণ।  ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, ম্যাংগানিজ, সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ভালো সমন্বয় রয়েছে ডাবের পানিতে। ডাবের পানির ১০০ ভাগের মধ্যে ৯৪ ভাগই পানি। আমাদের শরীরের পটাশিয়ামের ঘাটতি কমাতেও ডাবের পানি খুব উপকারী।

 

এছাড়াও ডাবের পানিতে যে খনিজ লবণ সবচেয়ে বেশি থাকে তা হল পটাশিয়াম। মানবদেহে পটাশিয়ামের ঘাটতি কমাতে ডাবের পানি ভীষণ উপকারী। অনেক কিডনি রোগীর ইলেকট্রোলাইড ইমব্যালান্স হলেও পটাশিয়াম কমে যেতে পারে।যাদের এ ধরনের  সমস্যা রয়েছে সেসব রোগীদের ইফতারে ডাবের পানি খুবই কাজ দেবে। তাই সারাদিন রোজা রেখে ইফতারের খাবার তালিকায়  ১ গ্লাস ডাবের পানি রাখার চেষ্টা করুন৷

 

তবে যারা হাইপারটেনশন, হার্ট অ্যাটাক বা হার্টের মাসল দুর্বল তাদের ডাবের পানি পানে সচেতন হওয়া উচিত।কারণ ডাবের পানিতে প্রচুর পটাশিয়াম থাকে, যা কার্ডিয়াক মাসলের ওপর কাজের চাপ বাড়িয়ে দেয়।