ডায়েরি লিখতে পারেন? 

ডায়েরি লিখতে পারেন? 
ছবিঃ সংগৃহীত
জীবনে লক্ষ্য স্থির করুন এবং নিজের দৈনন্দিন রুটিন তৈরি করুন। সারাদিনের কাজের ভিত্তিতে সময়কে ভাগ করে নিন। সেই অনুযায়ী নিজেকে গুছিয়ে নিন। আপনার একটি ব্যস্ত সময় তৈরি হবে এবং অপ্রিয় ঘটনার কারণে যে মানসিক চাপে ভুগছেন তা থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসতে আপনাকে সাহায্য করবে।

শরীর সুস্থ থাকলে মন ভালো থাকে এই কথাটি আমরা সবসময়ই শুনে থাকি। কিন্তু মন ই যখন খারাপ থাকে তখন কি শরীর সুস্থ থাকে? মানসিক অশান্তি প্রভাব ফেলে দিনের প্রতিটি কাজে। নিজের মানসিক চাপ কখনও অন্য কেউ কমাতে পারে না। তাই নিজের মানসিক চাপ কমানোর কাজ টা নিজেকেই করতে হয়। কিন্তু কিভাবে কমাবেন মানসিক চাপ? মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য হতে পারে এমন কিছু উপায় হলো-

 

প্রচণ্ড মন খারাপে নিজেকে সময় দিন, নিজের সাথে কথা বলুন। কিভাবে নিজের সাথে কথা বলবেন ভাবছেন তো? আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের মন খারাপের কথা গুলো নিজেকেই বলুন। এতে মন হালকা হয় ও সাময়িক খারাপ কিছুটা কম লাগবে। এছাড়া যাদের বিশ্বস্ত বন্ধু আছে তারা বন্ধুর সাথে কথা বলুন।  


জীবনে লক্ষ্য স্থির করুন এবং নিজের দৈনন্দিন রুটিন তৈরি করুন। সারাদিনের কাজের ভিত্তিতে সময়কে ভাগ করে নিন। সেই অনুযায়ী নিজেকে গুছিয়ে নিন। আপনার একটি ব্যস্ত সময় তৈরি হবে এবং অপ্রিয় ঘটনার কারণে যে মানসিক চাপে ভুগছেন তা থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসতে আপনাকে সাহায্য করবে। 


ডায়েরি লিখতে পারেন? তাহলে স্মৃতিকথা, গল্প, কবিতা লিখুন। এতে নতুন সৃষ্টির আনন্দ পাবেন। আর আনন্দ সব সময় খারাপ থাকা বা খারাপ লাগাকে মুছে দিতে পারে৷ নিজের পছন্দের কাজগুলো করুন এতে মানসিক শান্তি পাবেন।

 

নেতিবাচক চিন্তা বা আপসোস থেকে বেরিয়ে আসুন। অনেক সময় না পাওয়া বস্তুর জন্য আপসোস আসে তখন একরকম চাপা যন্ত্রণা হয়। এক্ষেত্রে ইতিবাচক চিন্তা করুন। ভাবুন যা পান নি তা আরে ভালো উপায়ে কিংবা তার থেকে ভালো কিছু পাবেন। মনে রাখবেন আশা ছেড়ে দেওয়া যাবে না। 

 

মানসিক চাপ কমাতে বিভিন্ন ধরনের ব্যায়াম ও ধ্যান করতে পারেন। এতে মন যেমন ভালো হবে একইসাথে শরীরও থাকবে ফিট। 


মানসিক চাপ কমাতে দৈনন্দিন রুটিন ঠিক রাখা দরকার। নিয়মিত ঘুমানো, খাওয়া দাওয়া করুন। প্রয়োজনে প্রিয়জন, বন্ধুবান্ধবের সাহায্য নিন।


মানসিক চাপ একদিনে বা হুট করে সেরে যাবে তা নয়। এটি অবশ্যই সময়সাপেক্ষ একটি বিষয়। তাই আপনাকে চেষ্টা করতে হবে। নিজেকে ব্যস্ত রেখে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করুন। প্রয়োজনে মানসিক ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন।