এই শীতে নিউমোনিয়া থেকে সুরক্ষিত থাকুন

এই শীতে নিউমোনিয়া থেকে সুরক্ষিত থাকুন
ছবি : সংগৃহীত
শীতে কোনোভাবে যেন ঠাণ্ডা না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।  ঠাণ্ডা লাগলেও মাথায় রাখতে হবে নিউমোনিয়ার প্রথম উপসর্গ জ্বর। এক্ষেত্রে জ্বর এলে প্রচুর বিশ্রাম নিতে হবে।  সেই সাথে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেতে হবে। শীতে সবসময় একটু উষ্ণ থাকার চেষ্টা করতে হবে। যেন ঠাণ্ডা আরো ভালোভাবে না লাগে। 

নিউমোনিয়া ফুসফুসের একটি রোগ। সাধারণত ঠাণ্ডা লেগে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাকের সংক্রমণে এই রোগ হয়ে থাকে। আর এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনায় বেশিরভাগ শিশু ও বৃদ্ধরা একটু বেশি ঝুঁকিতে থাকে। শীতে এই রোগের ঝুঁকি আর বেড়ে যায়।  তাই এই শীতে নিউমোনিয়া থেকে সুরক্ষিত থাকতে হতে হবে আরো সচেতন।  

 

শীতে কোনোভাবে যেন ঠাণ্ডা না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।  ঠাণ্ডা লাগলেও মাথায় রাখতে হবে নিউমোনিয়ার প্রথম উপসর্গ জ্বর। এক্ষেত্রে জ্বর এলে প্রচুর বিশ্রাম নিতে হবে।  সেই সাথে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেতে হবে। শীতে সবসময় একটু উষ্ণ থাকার চেষ্টা করতে হবে। যেন ঠাণ্ডা আরো ভালোভাবে না লাগে। 

 

নিউমোনিয়া থেকে বাঁচার জন্য নজর দিতে হবে খাবার তালিকায়।  এসময় একটু সুষম খাবার খেতে হবে।  ধূমপান পরিহার করতে হবে। বিশ্রামে পাশাপাশি পরিষ্কার থাকতে হবে। খাবার খাওয়ার আগে, হাঁচি-কাশি দেওয়ার পর হাত মুখ ধুয়ে নিতে হবে। বা রুমাল ব্যবহার করতে হবে। যেন জীবাণু অন্য কারো শরীরে না ছড়ায়।  

 

আর যাদের অ্যাজমা ও ফুসফুসের কোনো  সমস্যা আছে তারা শীতের আগে থেকেই অধিক সচেতন হতে হবে। কারণ এদের ঠাণ্ডা লাগলে দ্রুতই নিউমোনিয়া হওয়ার আশঙ্কা থাকে। 

 

বাচ্চাদেরকে এ সময় যত্নে রাখতে হবে।  কারণ বাচ্চারাই এসময় একটু বেশি ঝুঁকিতে থাকে। তাই সবসময় খেয়াল রাখতে হবে যেন ঠাণ্ডা না লাগে। আর নিউমোনিয়া হলেও দ্রুত ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। কারণ এখনো আমাদের দেশে শিশু মৃত্যুর অন্যতম কারণ নিউমোনিয়া। তাই ডাক্তারের পরামর্শ মেনে শিশুকে সুরক্ষিত রাখতে হবে।