গর্ভকালীন ডায়াবেটিস হলে কি করবেন?

গর্ভকালীন ডায়াবেটিস হলে কি করবেন?
ছবি : সংগৃহীত
গর্ভকালীন ডায়াবেটিস মা ও শিশু দুজনের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ। গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস অনিয়ন্ত্রিত থাকলে মায়ের রক্তচাপ বেড়ে খিঁচুনির সমস্যা হতে পারে। অনেকক্ষেত্রে সময়ের আগেই অপরিণত সন্তান প্রসব হয়। প্রসব পরবর্তী সময়ে গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণও হতে পারে। 

গর্ভকালীন ডায়াবেটিস হচ্ছে  গর্ভের ২৪ সপ্তাহ পর যে ডায়াবেটিস ধরা পড়ে।  বিশ্বের গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। বাংলাদেশে প্রায় ১০ শতাংশ নারী গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়ে থাকে। 

 

গর্ভকালীন ডায়াবেটিস মা ও শিশু দুজনের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ। গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস অনিয়ন্ত্রিত থাকলে মায়ের রক্তচাপ বেড়ে খিঁচুনির সমস্যা হতে পারে। অনেকক্ষেত্রে সময়ের আগেই অপরিণত সন্তান প্রসব হয়। প্রসব পরবর্তী সময়ে গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণও হতে পারে। 

 

এই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না রাখলে গর্ভের সন্তানের ওজন কম বা বেশি হতে পারে। যা সন্তান ও মা উভয়ের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে দেয়। এমনকি জন্মের পর  শিশুর রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমে যায় ,  খিচুনি, শ্বাসকষ্ট এবং দেহের তাপমাত্রা বজায় রাখার যে ক্ষমতা তা হারিয়ে ফেলে।  

 

এমন সব মারাত্মক ঝুঁকি এড়াতে প্রয়োজন এই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা। সেজন্য  কি করবেন? 

 

প্রথমত খাবার দাবারের দিকে নজর দিতে হবে।  এ সময় সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।  খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন ও নিয়মিত ব্যায়ামের মধ্য দিয়ে এই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।  তাই খাবারের সাথে সাথে প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম ও হাঁটাহাঁটির অভ্যাস করতে হবে। 

 

এই সময় ঔষুধ  খেয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করার থেকে ইনসুলিন নেওয়া অধিক কার্যকর এবং নিরাপদ।  তাই আগে থেকেই যদি ডায়াবেটিস থাকে তবে ডাক্তারের পরামর্শে ঔষুধ পরিবর্তন করে ইনসুলিন নেওয়া শুরু করতে হবে।  

 

সঠিক জীবনযাপনের মধ্য দিয়ে গর্ভকালীন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে মায়ের ও সন্তানের জীবন ঝুঁকি কমানো সম্ভব।  তাই বিচলিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শে গর্ভকালীন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন।