'ভিটামিন ডি' তে সুস্থ থাকবে অন্ত্র

'ভিটামিন ডি' তে সুস্থ থাকবে অন্ত্র
ছবি: সংগৃহীত
ভিটামিন ডি গ্রহণের ফলে বৃক্ক ও যকৃতের কার্যকারিতাও বৃদ্ধি পায় যা রক্তে ক্যালসিয়ামের পর্যাপ্ত মাত্রার ওপর নির্ভর করে। আর দেহে ক্যালসিয়াম শোষণের জন্য দরকার হয় ভিটামিন ডি। ভিটামিন ডি ও অন্ত্রের সুস্থতার ওপর করা গবেষণার ভিত্তিতে গবেষণায় গবেষকরা বলেন, সুস্থ দেহে ভিটামিন ডি’র প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে গবেষণার প্রয়োজন। 

ভিটামিন ডি এমন একটি ভিটামিন যা শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে পেশির শক্তিবৃদ্ধি করে। এছাড়াও কোলোন ক্যান্সারের ‍ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে ভিটামিন ডি। এটি শরীরে নানান সমস্যার হাত থেকে রক্ষা করতে পারে। এমনকি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন সমস্যায় ভোগার ঝুঁকিও কমাতে পারে। 


ভিটামিন ডি গ্রহণের ফলে বৃক্ক ও যকৃতের কার্যকারিতাও বৃদ্ধি পায় যা রক্তে ক্যালসিয়ামের পর্যাপ্ত মাত্রার ওপর নির্ভর করে। আর দেহে ক্যালসিয়াম শোষণের জন্য দরকার হয় ভিটামিন ডি। ভিটামিন ডি ও অন্ত্রের সুস্থতার ওপর করা গবেষণার ভিত্তিতে গবেষণায় গবেষকরা বলেন, সুস্থ দেহে ভিটামিন ডি’র প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে গবেষণার প্রয়োজন। 

 

অন্ত্রে বৈচিত্র্যময় মাইক্রোবায়োটা থাকা সুস্থতার চাবিকাঠি। অন্ত্রে থাকা কোটি কোটি মাইক্রোবায়োটা জীবাণু দিয়ে গঠিত যা, বিপাকীয় কার্যকারিতা বাড়ায়। সুস্থ অন্ত্র মস্তিষ্কের সঙ্গেও জড়িত যা স্নায়ু ও হরমোনে সংকেত পাঠিয়ে দেহের ভারসাম্য বজায় রাখে।

 

শরীরের সুস্থতায় অন্ত্র সুস্থ রাখা জরুরি। যদিও ‘প্রিবায়োটিক’ ও ‘প্রোবায়োটিক’ খাওয়া উপকারী। তবুও সম্পূরক হিসেবে ভিটামিন ডি ও অন্ত্রের মাইক্রোবায়োটার দিকে মনোযোগী হওয়া উচিত। ‘ফ্রন্টিয়ার্স অব ইমিউনোলজি’ জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, অন্ত্রের মাইক্রোবায়োম এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্র আছে। আর দুই ক্ষেত্রের জন্যই ভিটামিন ডি গ্রহণ উপকারী। যাদের অন্ত্রে প্রদাহজনিত সমস্যা আছে তাদের জন্য ভিটামিন ডি অতি জরুরি। 

 

তবে অতিরিক্ত ভিটামিন ডি গ্রহণ করা হলে ‘হাইপারক্যালসেমিয়া’ হতে পারে। অর্থাৎ রক্তে অতিরিক্ত ক্যালসিয়ামের উপস্থিতির কারণে হাড় দুর্বল হওয়া, বৃক্কে (কিডনি) পাথর হওয়া এমনকি হৃদপিণ্ড ও মস্তিষ্কের কাজে ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

 

অন্ত্র ও হাড়ের সুস্থতা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন ডি ভূমিকা রাখে। সপ্তাহে ত্বকে ৫ থেকে ৩০ মিনিট রোদ লাগানো বা ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উপকারী। যদি কেউ সম্পূরক হিসেবে ভিটামিন ডি গ্রহণ করতে চায় তবে আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করে নেওয়া প্রয়োজন। প্রয়োজন অনুযায়ী সেবনের মাত্রা সঠিক রাখা জরুরি। শরীরকে সুস্থ ও সুন্দর রাখতে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেয়া শ্রেয়।