কিটো ডায়েট চার্ট

প্রতীকী ছবি
বর্তমান সময়ে খুব প্রচলিত ও আলোচির একটি খাদ্যাভ্যাস পদ্ধতির নাম কিটো ডায়েট। এর মাধ্যমে খুব কম সময়ের মধ্যেই শরীরের বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ফেলা সম্ভব। অল্প কিছুদিনের জন্য একটি নির্দিষ্ট খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে হয় এই পদ্ধতিতে। অর্থাৎ মোটামোটি সময় হিসেব করে নির্দিষ্ট খাদ্যতালিকা মেনে চলা। বলা হয়, কিটী ডায়েটের মাধ্যমে মাত্র ২১ দিনেই প্রায় ১০ কেজি পর্যন্ত ওজন কমানো সম্ভব।

বর্তমান সময়ে খুব প্রচলিত ও আলোচির একটি খাদ্যাভ্যাস পদ্ধতির নাম কিটো ডায়েট। এর মাধ্যমে খুব কম সময়ের মধ্যেই শরীরের বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ফেলা সম্ভব। অল্প কিছুদিনের জন্য একটি নির্দিষ্ট খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে হয় এই পদ্ধতিতে। অর্থাৎ মোটামোটি সময় হিসেব করে নির্দিষ্ট খাদ্যতালিকা মেনে চলা। বলা হয়, কিটী ডায়েটের মাধ্যমে মাত্র ২১ দিনেই প্রায় ১০ কেজি পর্যন্ত ওজন কমানো সম্ভব।

কিটো ডায়েট

এই ডায়েট পদ্ধতিতে প্রায় তিন থেকে চার সপ্তাহ কিংবা মাসখানেকের জন্য চাল, আটা, চিনি, আলু, দুধ ও সয়াবিন তেলের তৈরি যেকোনো খাবার খাওয়া থেকে দূরে থাকতে হয়। বাদ পড়া সেই খাদ্যতালিকায় রয়েছে ভাত, রুটি, পাউরুটি, মিষ্টি, ফাস্টফুড, বাইরের ভাজা-পুড়া, কোল্ড ড্রিংস ইত্যাদি। যেসব ফল স্বাদে মিষ্টি সেগুলোও সাময়িক সময়ের জন্য বাদ দিতে হবে। মোট কথা দুই/তিন সপ্তাহ শরীরকে সুগার ও শর্করা মুক্ত রাখতে হবে।

 

যেসব খাবার খেতে পারবেন না

  • চিনি বা মিষ্টিজাতীয় কোন কিছু একদম বাদ। কোক, ফলের জুস, কেক, আইসক্রিম, চকোলেট, স্মুদি, যেকোন ধরনের মিষ্টি।
  • আটার তৈরি কিছু, ভাত, পাস্তা, নুডলস, ওটস, কর্নফ্লেক্স জাতীয় খাবার।
  • সবধরনের ফল নিষেধ। সাধারণত অন্যান্য ডায়েটে ফলের জায়গাটুকু থাকলেও কিটো ডায়েটে সেটা নেই। কারণ, ফলে প্রচুর পরিমাণ শর্করা থাকে।
  • সবধরনের ডাল নিষেধ। ডালে প্রোটিনের পাশাপাশি ভালো পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট থাকে।
  • আলু, মূলা, গাজর, কচু সব বাদ দিতে হবে।
  • যেকোন ধরনের প্রসেস ফুড একদম বাদ দিতে হবে।

 

যা যা খেতে পারবেন

গরু, মুরগি, সবধরনের মাছ, ডিম, বাটার, পনির, দই, ঘি, বাদাম, হেলদি অয়েল-যেমন অলিভ ওয়েল, কোকনাট ওয়েল, সূর্যমুখী অয়েল, যেকোন লাল-সবুজ সবজি, পালং, ব্রকলি, বাধাকপি, ফুলকপি, লাউ, মোটামুটি সবধরনের মসলা, ফলের মধ্যে জলপাই, অ্যাভোকাডো, স্ট্রবেরি, লেবু খেতে পারবেন।

 

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

কিটোজেনিক ডায়েট পদ্ধতি মেনে চলা শুরু করলে প্রথমদিকে সাধারণ কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। শরীরে পানি ও লবণের ভারসাম্যহীনতা দেখা দিতে পারে। ফলে রক্তচাপের কম বেশি হতে পারে। এতে অতিরিক্ত লবণ খাওয়া কিংবা লবণ বাদ দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। অতিরিক্ত ফ্যাট গ্রহণের ফলে কিটো ডায়েটে হজমের সমস্যা হতে পারে। কারও কারও কোষ্ঠকাঠিন্য হয়ে থাকে। তখন ফাইবার জাতীয় সবজি বেশি করে খেতে হবে। ম্যাগনেসিয়াম সাপ্লিমেন্টও ওষুধ হিসেবে খাওয়া যেতে পারে। অনেকের আবার ডায়রিয়াও হতে দেখা যায়। এমন হলে স্যালাইন ও ওষুধ খাওয়া যেতে পারে।