পিঠের মেদ নিয়ে চিন্তা আর নয়

পিঠের মেদ নিয়ে চিন্তা আর নয়
ছবি: সংগৃহীত
পিঠের এই অস্বাভাবিক মেদ কমানোর জন্য হয়তো আমাদের খুব বেশি চিন্তার প্রয়োজন নেই, যদি আপনি বাসায় বসেই নিয়মিত কিছু শারীরিক ব্যায়াম করেন। চিন্তার প্রয়োজন পড়বে তখন, যখন আপনি এই মেদ বিষয়টাকে তাচ্ছিল্য করে দেখবেন। তাই আপনাকে হতে হবে সচেতন সেটা শারীরিক ব্যায়াম, সাথে খাবার তালিকায় সামান্য পরিবর্তনের মাধ্যমে। 

শরীরের মেদ জমলে তা যেমন আপনার স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ তেমনি দেখতেও খারাপ লাগে। বিশেষ করে মেয়েদের জন্য এটা খুব পরিচিত ব্যাপার। সৌন্দর্য নষ্টের পাশাপাশি ডায়াবেটিস, পিসিওএস কিংবা ইনফ্রাটিলিটির মতো রোগের সূত্রপাতও এই পিঠের মেদ। পিঠের এই অস্বাভাবিক মেদ কমানোর জন্য হয়তো আমাদের খুব বেশি চিন্তার প্রয়োজন নেই, যদি আপনি বাসায় বসেই নিয়মিত কিছু শারীরিক ব্যায়াম করেন। চিন্তার প্রয়োজন পড়বে তখন, যখন আপনি এই মেদ বিষয়টাকে তাচ্ছিল্য করে দেখবেন। তাই আপনাকে হতে হবে সচেতন সেটা শারীরিক ব্যায়াম, সাথে খাবার তালিকায় সামান্য পরিবর্তনের মাধ্যমে। 

 

যদি ভোজন রসিকও হয়ে থাকেন তবে, লো- ক্যালরির ডায়েট শসা, মুরগির বুকের মাংস কিংবা টার্কি মুরগির মাংস আপনার খাবার তালিকায় রাখতে পারেন। তবে, আলু থেকে দূরে থাকতে হবে। ওটস, ব্রকলি, স্প্রাউট, ব্ল্যাক বিনস, এভাকোডা ইত্যাদি খাবারের আপনাকে মেদ কমাতে সাহায্য করবে। আর শারীরিক ব্যায়ামের বিকল্প তো নেই। 

 

রিভার্স হিপ রাইজ 

 

যারা বাড়িতে নিয়মিত শরীরচর্চা করেন, তাঁদের অনেকের কাছেই ব্যায়ামের বল রয়েছে। না থাকলে কিনে নিতে পারেন। বলটি মাটিতে রেখে তার উপরে পেট চেপে, চোখ রাখুন নীচের দিকে। এ বার শুয়ে পড়ুন। খেয়াল রাখবেন, হাত যেন মেঝের উপরে সোজা ভর দিয়ে থাকে এবং হাঁটু থেকে যেন পা মোড়া থাকে। হাতের পেশিতে ভর দিন। এবার বলের উপরে ভর করে গোড়ালি সোজা রেখে ধীরে ধীরে পা দু’টি তুলন। এই সময়ে বলটি যেন স্থির থাকে। কয়েক সেকেন্ড রাখার পরে পা দু’টি নামিয়ে নিন। এই ভাবে বেশ কয়েকবার করুন। ধীরে ধীরে ব্যায়ামের সময় বাড়িয়ে নিন। 

 

পুশ আপ 

 

পুশ আপ বেশ প্রচলিত একটি ব্যায়াম। অনেকে মনে করে পুশ আপ শুধুমাত্র পেটের মেদ কমানোর জন্য করা হয়। কিন্তু আসলে তা নয়, পুশ আপ আপনার পিঠের পেশী স্ট্রং করে মেরুদণ্ড মজবুত করে থাকে। যা পিঠের চারপাশের মেদ কমাতেও সাহায্য করে। এছাড়া এটি আপনার পিঠের ব্যথা কমাতে সাহায্য করবে। মেঝের উপর দুই হাত রেখে মুখ মেঝের দিকে করে সোজা হয়ে শুয়ে পড়ুন। লক্ষ্য রাখবেন এইসময় পিঠ যেনো একদম সোজা থাকে। এই পজিশনে থেকে কয়েকটি বুক ডন দিন। এটি বেশ কয়েকবার করুন। 

 

সুপারম্যান 

 

পেটে ভর দিয়ে মেঝেতে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। তার পরে শরীর যথাসাধ্য টানটান করুন। একসঙ্গে পা ও হাত দু’টি মেঝে থেকে তুলুন ও নামান। মাটি থেকে অন্ততপক্ষে ৬ ইঞ্চি মতো হাত ও পা তুলুন। এই ভাবে বেশ কিছুক্ষণ করার পরে সম্ভব হলে মেঝে থেকে পেটটা খানিকক্ষণ তুলে ধরুন। তবে দেখবেন, যেন নিয়ন্ত্রণ না হারায়। এই ব্যায়াম প্রথমে পাঁচ বার পরে আরও বার কয়েক করুন। 

 

স্পিড-ব্যাগ 

 

একটি পা এগিয়ে, আর একটি পা পিছিয়ে নিয়ে খানিকটা লড়াই করার মতো ভঙ্গিতে দাঁড়ান। হাত দু’টি চোয়ালের কাছাকাছি রাখুন। মোটামুটি ২ মিনিটের কাছাকাছি টাইমার দিন। সামনে কোনও অদৃশ্য জিনিস কল্পনা করে ঘুষি মারতে থাকুন। ওই সময়ের মধ্যে কতবার ঘুষি মারতে পারেন, গুনে রাখুন। এই ভাবে ৩ সেট করুন।