থাইরয়েড সমস্যা দূর করুণ ঘরেই

থাইরয়েড সমস্যা দূর করুণ ঘরেই
থাইরয়েড সমস্যা দূর করুণ ঘরেই
নারকেল তেলে থাকে ফ্যাটি অ্যাসিড। যা থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতা বাড়ায়। নারকেল তেলের ব্যবহার ওজন হ্রাস এবং বিপাকীয় ক্রিয়া বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। এমনকি শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতেও ভূমিকা রাখে। 

শরীরের জন্য একটা নির্দিষ্ট মাত্রায় থাইরয়েড হরমোন থাকে। এই নির্দিষ্ট পরিমাণের থেকে শরীরে কম বা বেশি হরমোন উৎপাদন হলে শরীরে নানারকম সমস্যা দেখা দেয়।  ঘরে নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা গেলে এই সমস্যা এড়াতে সহজ হয়। এক্ষেত্রে যেসব খাবার খেতে পারেন:

 


অ্যাপেল সিডার ভিনেগার  

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার হরমোন উৎপাদনে ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। এটি শরীরের ফ্যাট নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বিপাকের উন্নতি এবং শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে পুষ্টি শোষণে সহায়তা করে। 

 

 

আদা

আদায় থাকা  খনিজ যেমন- পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ইত্যাদি  থাইরয়েডের সমস্যার সঙ্গে লড়াই করতে দারুণ কার্যকর। থাইরয়েডের সমস্যা কমাতে নিয়মিত আদা চা পান করতে পারেন। 

 

নারকেল তেল  

নারকেল তেলে থাকে ফ্যাটি অ্যাসিড। যা থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতা বাড়ায়। নারকেল তেলের ব্যবহার ওজন হ্রাস এবং বিপাকীয় ক্রিয়া বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। এমনকি শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতেও ভূমিকা রাখে। 

 

ভিটামিন বি ও ডি

থাইরয়েডের ক্ষেত্রে ভিটামিন বি এবং ভিটামিন ডি খুবই সহায়ক। বিশেষ করে ভিটামিন বি১২ হাইপোথাইরয়েডিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য খুবই উপকারী।  তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ভিটামিন বি সম্পন্ন খাবার যেমন: ডিম, মাছ, মাংস, দুধ, বাদাম অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করুন।

 

ভিটামিন ডি এর জন্য প্রতিদিন অন্তত ১৫ মিনিট রোদে থাকুন। এছাড়াও  ভিটামিন  ডি এর জন্য স্যালমন, ম্যাকারেল, দুগ্ধজাতীয় দ্রব্য, কমলালেবুর রস, ডিমের কুসুম ইত্যাদি খেতে পারেন।