ফিমেল হাইজিন - চাই সতর্কতা 

ফিমেল হাইজিন - চাই সতর্কতা 
ফিমেল হাইজিন - চাই সতর্কতা 
একটা প্যাড দীর্ঘসময় ব্যবহার করেন। এটা স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি করে। জরায়ু মুখে নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়। তাই ৩/৪ ঘণ্টা পর পর প্যাড পরিবর্তন করা জরুরি। 

সুস্থ থাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল পরিষ্কার - পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি থাকা। আর  মেয়েদের ক্ষেত্রে এই বিষয়ে একটু বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। কারণ জন্মলগ্ন থেকেই মেয়েদের শরীর কিছুটা সংবেদনশীল এবং প্রাকৃতিক নিয়মেই শরীরে আসে বিভিন্ন পরিবর্তন। তাই এই সময়ে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা খুবই জরুরি। 

 

 

পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে


একটা নির্দিষ্ট বয়সের পর প্রত্যেক মেয়ের মধ্যেই শারীরিক পরিবর্তন আসে। ফিমেল হাইজিনের কথা বলতে গেলে এই বিষয়টিই শুরুতে স্থান পাবে। এসময়ে চাই এই বিষয়ে সঠিক ধারণা। নিজেকে গুটিয়ে না রেখে খোলামেলা আলোচনা করা এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা। 

 

স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারে সতর্কতা


পিরিয়ড কালীন সময়ে অধিকাংশ মেয়েই স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করে থাকেন।অনেকে আবার তুলার তৈরি প্যাড বা কাপড় ব্যবহার করেন। তবে বেশিরভাগই তারা এই ব্যাপারে সচেতন নয়। অনেকেই স্বাস্থ্যের ব্যাপারে উদাসীন। দীর্ঘসময় একই প্যাড বা কাপড় ব্যবহার করেন। পিরিয়ডের সময় এই পরিচ্ছন্নতায় গাফিলতি থেকে নারীর জরায়ু মুখের ত্বকে নানা সমস্যা ছাড়াও হতে পারে জরায়ু সংক্রমণও।

 

নির্দিষ্ট সময় পরপর প্যাড পরিবর্তন করা


শারীরিক পরিবর্তনের সময় অনেক বেশি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। আমাদের দেশে স্যানিটারি ন্যাপকিনের মূল্য তুলনামূলক বেশি। অনেকেই টাকা বাঁচাতে বা আলসেমি করে একটা প্যাড দীর্ঘসময় ব্যবহার করেন। এটা স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি করে। জরায়ু মুখে নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়। তাই ৩/৪ ঘণ্টা পর পর প্যাড পরিবর্তন করা জরুরি। 

 

পরিষ্কার টাওয়েল ব্যবহার করা


শরীর মোছার জন্য পরিষ্কার টাওয়েল ব্যবহার করা উচিত। সম্ভব হলে অংশ ভেদে আলাদা টাওয়েলের ব্যবস্থা করতে হবে। তাহলে ইনফেকশন কিংবা সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকটা কমে যাবে। 

 

অ্যালকোহোলযুক্ত প্রোডাক্ট ব্যবহারে বিরত থাকা


শরীরে অ্যালকোহোলযুক্ত হাইজিন প্রোডাক্ট ব্যবহার না করা। অনেক সময় বিভিন্ন সুগন্ধযুক্ত পণ্য ব্যবহারের কারণে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। 


সঠিকভাবে হাইজিন মেনে চলা প্রতিটি মেয়ের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা, এর কারণে জরায়ুর নানা সমস্যাসহ হতে পারে ক্যান্সারের মত বড় ধরনের অসুখ। তাই এই বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।