করোনা প্রতিরোধে খাবারদাবার!

করোনা প্রতিরোধে খাবারদাবার!
সংগৃহীত
টক দই প্রোবায়োটিকস, যা শ্বাসযন্ত্র ও পরিপাকতন্ত্র সংক্রমণের ঝুঁকি প্রতিরোধ করে।

একবছরেরও বেশি সময় ধরে দেশে চলছে করোনার দাপট। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। আর এবছরের এ ঢেউ প্রথমবারের থেকে বেশ অনেকটাই শক্তিশালী।

তাই করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সবার আগে দরকার আমাদের সচেতনতা বৃদ্ধি।  আর তারজন্য সর্বপ্রথম খাবারদাবার নিয়ে সচেতন হতে হবে। 

সঠিক খাবারদাবার গ্রহণ করে খানিকটা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে নিলে মন্দ হয় না।  আর তাই আপনাের সুবিধার্থে  শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, এমন  খাদ্যতালিকা দেওয়া হলোঃ

 

 

আমিষ: উচ্চ মানের আমিষ জাতীয় খাবার (ডিম, মুরগির মাংস ইত্যাদি)।

 

সবজি: করলা (বিটা ক্যারোটিনসমৃদ্ধ), পারপেল/লাল পাতা কপি, বিট, ব্রোকলি, গাজর, টমেটো, মিষ্টি আলু, ক্যাপসিকাম, ফুলকপি।

 

শাক: যেকোনো ধরনের ও রঙের শাক।

 

ফল: কমলালেবু, মালটা, পেঁপে, আঙুর, আম, কিউই, আনার, তরমুজ, বেরি, জলপাই, আনারস ইত্যাদি।

 

মসলা: আদা, রসুন, হলুদ, দারুচিনি, গোলমরিচ।

 

অন্যান্য: শিম বিচি, মটরশুঁটি, বিচিজাতীয় খাবার, বার্লি, ওটস, লাল চাল ও আটা, বাদাম।

 

টক দই: এটি প্রোবায়োটিকস, যা শ্বাসযন্ত্র ও পরিপাকতন্ত্র সংক্রমণের ঝুঁকি প্রতিরোধ করে।

 

চা: গ্রিন টি, লাল চায়ে এল-থেনিন এবং ইজিসিজি নামক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে, যা আমাদের শরীরে জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অনেক যৌগ তৈরি করে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে।

 

 

খাদ্যতালিকায় উল্লেখিত এসব খাবার রাখার পাশাপাশি কিছু খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। যেমনঃ সব ধরনের কার্বনেটেড ড্রিংকস, বিড়ি, সিগারেট, জর্দা, তামাক, সাদাপাতা, খয়ের ইত্যাদি।