ক্যানসারের ঝুঁকি কমাবে কাঁচা মরিচ!

ক্যানসারের ঝুঁকি কমাবে কাঁচা মরিচ!
ছবি: সংগৃহীত
আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের সায়েন্টিফিক সেশনের প্রাথমিক গবেষণা বলছে প্রতিদিন কাঁচা মরিচ খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তা স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত ভালো। ক্যানসার বা কার্ডিও ভাসকুলার ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কয়েক ধাপ কমে যাবে। মরিচের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং ক্যানসার প্রতিরোধক গুণাগুণ। মরিচের ঝাল গুণাগুণের জন্য দায়ী ক্যাপসাইসিন।

আমেরিকার একটি সমীক্ষা জানাচ্ছে রোজ কাঁচা মরিচ খাওয়ার অভ্যাস থাকলে কমতে পারে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা। কাঁচা মরিচ আমরা প্রতিদিনই খেয়ে থাকি। গরম ভাতের সঙ্গে কিংবা তরকারি রান্নার সময়। কাঁচা মরিচ ঝাল খাবারের স্বাদ বাড়ায়।  আধা কাপ কাঁচা মরিচে থাকে ৭ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ১.৫ গ্রাম প্রোটিন, ১ গ্রাম ফাইবার ও .১৫ গ্রাম ফ্যাট। রয়েছে ভিটামিন এ, সি, আয়রন ও পটাশিয়ামের মতো উপকারী উপাদান।


আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের সায়েন্টিফিক সেশনের প্রাথমিক গবেষণা বলছে প্রতিদিন কাঁচা মরিচ খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তা স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত ভালো। ক্যানসার বা কার্ডিও ভাসকুলার ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কয়েক ধাপ কমে যাবে। মরিচের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং ক্যানসার প্রতিরোধক গুণাগুণ। মরিচের ঝাল গুণাগুণের জন্য দায়ী ক্যাপসাইসিন।


গবেষণা চালানো হয়েছে আমেরিকা, চীন, ইতালি, ইরানের প্রায় ৫ লাখ ৭০ জনের উপর। তাদের স্বাস্থ্য এবং খাদ্যাভ্যাস সংক্রান্ত রেকর্ড বা যা ডায়েট বলে পরিচিত তা খতিয়ে দেখেছেন গবেষকরা। যাদের নিয়মিত মরিচ খাওয়ার অভ্যাস আছে এবং যাদের নেই, তাদের মধ্যে ফারাক খতিয়ে দেখা হয়েছে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যারা রোজ কাঁচা মরিচ খান তাদের কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা ২৬ শতাংশ কমেছে। ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমেছে ২৩ শতাংশ। এবং অন্যান্য যেসব রোগে মানুষের মৃত্যু হতে পারে, সে ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমেছে ২৫ শতাংশ।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তেল-মসলার খাবার যতই কোলেস্টেরল বাড়াক না কেন, কাঁচা মরিচ তার ওপর ম্যাজিকের মতো কাজ করে। এছাড়া ট্রাইগ্লিসারাইড লেভেল, ধমনিতে ফ্যাট জমা, স্ট্রোকের প্রবণতা কমানোতে মরিচের রয়েছে ভূমিকা। প্রস্ট্রেট ক্যানসারের ঝুঁকি কমায় কাঁচা মরিচ। এতে রয়েছে এক ধরনের অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট, যা আমাদের শরীরের ফ্রি র্যাকডিকাল থেকে নিরাপত্তা দেয়। ফলে কমে ক্যানসারের ঝুঁকি। প্রাকৃতিক ভাবে ইনসুলিনের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে কাঁচা মরিচ। তাই ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত খান এটি। মরিচে থাকা আয়রন রক্তস্বল্পতা ঠেকাতে সাহায্য করে।


তবে অতিরিক্ত কাঁচা মরিচ খাওয়া ঠিক নয়। এতে পাকস্থলীতে প্রদাহ এবং ইরিটেবল বাওয়াল সিন্ড্রোম হতে পারে। অতিরিক্ত ঝাল খাদ্যনালীর ক্ষতি করে।