শীতের বর্ণিল ফ্যাশন

শীতের বর্ণিল ফ্যাশন
শীতের বর্ণিল ফ্যাশন
শীতে সাধারণত গাঢ় রঙের পোশাককেই প্রাধান্য দেয়া হয়। যেমন: কালো, নেভি ব্লু, চকলেট, সবুজ, বেগুনি এসব রং। অনেক সময় হালকা রঙের পোশাককে শীতের জন্য কম মানানসই হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে কিছুক্ষেত্রে এসব রং ও সমান জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা পায়। 

প্রকৃতিতে শীত আসার সাথে সাথে পোশাকে আনতে হয় ভিন্নতা। মৌসুমের সাথে পরিবর্তন আনতে হয় পোশাকেও। ঠাণ্ডা আবহাওয়ার কারণে গরম কাপড়কে করতে হয় সঙ্গী। শীতকালে বিভিন্ন ফ্যাশনেবল পোশাক পরার সুযোগ পাওয়া যায়। তাই ফ্যাশন-প্রেমী মানুষদের কাছে শীতকাল বেশ উপভোগ্য। সবাই চান শীতের কাপড়েও যেন ফ্যাশন সেন্স ফুটে ওঠে পুরোমাত্রায়। শুধু ফ্যাশনের দিকটিই নয়, শীতের সুরক্ষার দিকটিও মাথায় রাখতে হয়। তাই শীতের মৌসুমে ফ্যাশনের সাথে কমফোর্টের দিকেও বিশেষ নজর দিতে হয়।

 


ভারী পোশাকে ফ্যাশন

 

মোটা কাপড় মানেই যে গরম কাপড় তা কিন্তু নয়। শীতের পোশাক হতে হবে আরামদায়ক যাতে ঠাণ্ডা না লাগে। হালকা শীতে ফুল স্লিভ টিশার্ট, শার্ট, শাল, চাদর, হুডি পরলেই চলে। কিন্তু শীতের প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজন পড়ে ভারী পোশাকের। তীব্র শীতে সাধারণত জ্যাকেট, ব্লেজার,কোট, লং কোট এগুলো পরা উচিত। আবার অতিরিক্ত ঠাণ্ডা থাকলে মাথায় টুপি পরা উচিত। এখন প্রায় সব শপিংমলে ও দোকানে বিভিন্ন ফ্যাশনেবল টুপি দেখা যায়। এক্ষেত্রে এগুলোও ব্যবহার করা যেতে পারে। সাথে মাফলার নেয়া যেতে পারে।

 


রঙেও থাকে ভিন্নতা

 

শীতে সাধারণত গাঢ় রঙের পোশাককেই প্রাধান্য দেয়া হয়। যেমন: কালো, নেভি ব্লু, চকলেট, সবুজ, বেগুনি এসব রং। অনেক সময় হালকা রঙের পোশাককে শীতের জন্য কম মানানসই হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে কিছুক্ষেত্রে এসব রং ও সমান জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা পায়। 


আবার দিনের সময় অনুযায়ী পোশাকে আনতে হয় ভিন্নতা শীতকালে। এর কারণ হলো আবহাওয়ার পরিবর্তন। শীতের দুপুরে ও বিকেলে সাধারণত ঠাণ্ডা তুলনামূলক কম থাকে। তাই এসময়ে পোশাক তুলনামূলক হালকা হওয়াই ভালো। এসময় সবুজ, চকলেট, খয়েরি, নীল বা অন্য গাঢ় রঙের ফুল স্লিভ টিশার্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। লাল, ম্যাজেন্ডা, মেরুন, সবুজ, কালো বা অন্য রঙের শাল ব্যবহার করা যেতে পারে দুপুর বা বিকেলে। সকালে ও রাতে ঠাণ্ডা বেশি থাকে তাই এ সময় গরম কাপড় পড়া আবশ্যক যা শরীরকে উষ্ণ রাখবে। এক্ষেত্রে কালো, চকলেট বা নেভি ব্লু রঙের হুডি, কোট বা জ্যাকেট পরা যায়। 

 


ভিন্ন সাজে অনুষ্ঠানে

 

শীতকালে অনুষ্ঠান প্রায় লেগেই থাকে। আবার অনুষ্ঠানে যাওয়ার ক্ষেত্রে পোশাকে আনতে হয় ভিন্নতা। শাড়ি পরলে শাড়ির রঙের সাথে কিছুটা মিলিয়ে ডিজাইনেবল শাল নেয়া যেতে পারে। অন্য পোশাকের ক্ষেত্রে সার্টিন, ভেলভেট, জুট কটন, মোটা খাদি কাপড়ের কুর্তি, কামিজ পরা যেতে পারে। এর ওপরে কটি পরলে সুন্দর লাগবে। এ সময় মেয়েদের জন্য রাউন্ডনেক,হাইনেক, টার্টলনেকের জামা বেশ উপযোগী। এতে ফ্যাশনের সাথে সাথে উষ্ণতা এবং আধুনিকতা দুটোই ঠিক থাকবে। শীত তীব্র হলে জামার ওপর জ্যাকেট বা লং কোট পরলে বেশ মানাবে। অফিসে যাওয়া বা বন্ধুদের সাথে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার ক্ষেত্রে হুডি ব্যবহার করা যেতে পারে। সাথে ওভার ফ্লিপ গলার সোয়েটারের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

 

শীতকালে প্রকৃতিতে ঠাণ্ডা ও রুক্ষ আবহাওয়া বিরাজ করে। তাই উষ্ণতার বিষয়টি মাথায় রেখেই শীতে পোশাক বাছাই করা উচিত।