বাংলাদেশ হেরিটেজ ক্রাফটস ফাউন্ডেশন-এর দ্বিতীয় প্রদর্শনীর আয়োজন

বাংলাদেশ হেরিটেজ ক্রাফটস ফাউন্ডেশন-এর দ্বিতীয় প্রদর্শনীর আয়োজন
একদিকে রং-বেরঙের রিকশা পেইন্টের পণ্য, অন্যদিকে রঙিন হাতপাখা, আবার কোথাও রঙে রঙিন মৃৎশিল্প। এমনই নানারকম দেশীয় হস্তশিল্প ও কারুপণ্যের প্রদর্শনী চলে ঢাকার রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনের উৎসব হলে। এই প্রদর্শনীর আয়োজনে ছিল বাংলাদেশ হেরিটেজ ক্রাফটস ফাউন্ডেশন। এদেশের মৃতপ্রায় ঐতিহ্যকে পুনরুদ্ধারের প্রত্যাশায় টুটলি রহমান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ হেরিটেজ ক্র্যাফটস ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের কারিগরদের বিভিন্ন সৃষ্টি একত্রিত করা এবং আমাদের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিতে উজ্জ্বলভাবে ফুটিয়ে তোলা।
হেরিটেজ ক্রাফটস ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য দেশের কারিগরদের বিভিন্ন সৃষ্টি একত্রিত করা এবং আমাদের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিতে উজ্জ্বলভাবে ফুটিয়ে তোলা।
একদিকে রং-বেরঙের রিকশা পেইন্টের পণ্য, অন্যদিকে রঙিন হাতপাখা, আবার কোথাও রঙে রঙিন মৃৎশিল্প। এমনই নানারকম দেশীয় হস্তশিল্প ও কারুপণ্যের প্রদর্শনী চলে ঢাকার রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনের উৎসব হলে। এই প্রদর্শনীর আয়োজনে ছিল বাংলাদেশ হেরিটেজ ক্রাফটস ফাউন্ডেশন। এদেশের মৃতপ্রায় ঐতিহ্যকে পুনরুদ্ধারের প্রত্যাশায় টুটলি রহমান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ হেরিটেজ ক্র্যাফটস ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের কারিগরদের বিভিন্ন সৃষ্টি একত্রিত করা এবং আমাদের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিতে উজ্জ্বলভাবে ফুটিয়ে তোলা। 
গত বছরের ১২মে গুলশানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল বাংলাদেশ টেরিটেজ ক্রাফটস ফাউন্ডেশনের প্রথম সফল উৎসব। এরপর এ-বছর হোটেল রেডিসন আতিথেয়তার অংশীদার হওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের কারুশিল্প ও সংস্কৃতিকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে এগিয়ে এসেছে।
সেখানে গত ২৩ ও ২৪ আগস্ট দুদিনব্যাপী বাংলাদেশ হেরিটেজ ক্র্যাফটস ফাউন্ডেশনের দ্বিতীয় প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছিল। 
শখের হাঁড়ির পাশাপাশি অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প, যেগুলো বিশুদ্ধভাবে বাংলাদেশি ঐতিহ্যের অংশ, সেগুলো সেখানে প্রদর্শিত হয়েছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিখ্যাত খাদ্যসামগ্রী, যেমন : ঢাকাই পনির, বাকরখানি, পিঠা ইত্যাদিসহ ঢাকাই জামদানি, রাজশাহী সিল্ক, মসলিন ইত্যাদির মতো দেশীয় তাঁত পণ্যসমূহ একই সঙ্গে প্রদর্শিত হয়েছে।
প্রদর্শনীটিতে আরো আকর্ষণীয় করে তোলার লক্ষ্যে দু’দিন ধরে সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছিল।
উৎসবটির উপদেষ্টা হিসেবে ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট রোকিয়া আফজাল রহমান, বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. মনজুর কাদের, গুলশান সোসাইটির সভাপতি শাখাওয়াত আবু খায়ের মোহা€§দ, মহিলা উদ্যোক্তা দিলরুবা আহমেদ, খ্যাতিমান সংগীতশিল্পী নাশিদ কামাল, শিল্পী রোকেয়া সুলতানা, অভিনেতা সারা যাকের, পারসোনার সিইও ও এমডি কানিজ আলমাস খান, নৃত্যশিল্পী ডলি ইকবাল, বিএটির আইনি ও বহিরাগত বিষয় বিভাগের প্রধান মুবিনা আসফ, দৈনিক ইত্তেফাক-এর সম্পাদক তাসমিমা হোসেন এবং রন্ধন বিশেষজ্ঞ আলপনা হাবিব।
প্রথমদিনের প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক উপদেষ্টা হোসেন তৌসিফ ইমাম, সম্মানিত  অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত ট্রান ভ্যান খেয়া উপস্থিত ছিলেন।
দ্বিতীয় দিনের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ন, সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত অরুণরং ফথং হামফ্রেস এবং স€§ানিত অতিথি হিসেবে ছিলেন বিজিইএমই-এর সভাপতি রুবানা হক।