শানিলার নতুন গান 'অবাক জীবন'

শানিলার নতুন গান 'অবাক জীবন'
শানিলা ইসলাম প্রমিতি
নতুন গান প্রসঙ্গে শানিলা বলেন, এটিকে আমি 'কোয়ারেন্টাইন সং' বলছি। ২০২০ সাল আমাদের জন্য ভিন্ন একটি বছর, যেটি প্রতিমূহুর্তে আগের স্বাভাবিক জীবনের কথা মনে করিয়েছে। ঘর বন্দী সময়ে আগেকার ছুটে বেড়ানো, খোলা আকাশে নিঃশ্বাস নেয়ার আনন্দের স্মৃতিগুলো বারবার আমাদেরকে তাড়িত করেছে। সেই অনুভূতি থেকেই 'অবাক জীবন' গানটি তৈরি করেছি। এই গানের শব্দগুলো আপনাদের ভাবনার সঙ্গেও মিলবে।

প্রকাশ হয়েছে তরুণ শিল্পী শানিলা ইসলাম প্রমিতির নতুন গান 'অবাক জীবন'। বুধবার রাতে নিজের ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজে গানটি প্রকাশ করেন তিনি। মূলত করোনা কালীন গৃহবন্দী সময়কে নিয়েই এই গানটি সাজানো, যার কথা ও সুর করেছেন শানিলা নিজেই।


শানিলার নানা দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনের কিংবদন্তী ব্যক্তিত্ব খান আতাউর রহমান। মা স্থপতি রুমানা ইসলাম ও মামা আগুন সঙ্গীতাঙ্গনে অনেক আগেই নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছেন। গানে মায়ের পরিবারের প্রত্যক্ষ প্রভাবের পাশাপাশি বাবা স্থপতি আসফারুল ইসলামও প্রতিনিয়ত মেয়েকে অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছেন। 


নতুন গান প্রসঙ্গে শানিলা বলেন, এটিকে আমি 'কোয়ারেন্টাইন সং' বলছি। ২০২০ সাল আমাদের জন্য ভিন্ন একটি বছর, যেটি প্রতিমূহুর্তে আগের স্বাভাবিক জীবনের কথা মনে করিয়েছে। ঘর বন্দী সময়ে আগেকার ছুটে বেড়ানো, খোলা আকাশে নিঃশ্বাস নেয়ার আনন্দের স্মৃতিগুলো বারবার আমাদেরকে তাড়িত করেছে। সেই অনুভূতি থেকেই 'অবাক জীবন' গানটি তৈরি করেছি। এই গানের শব্দগুলো  আপনাদের ভাবনার সঙ্গেও মিলবে।


অবাক জীবনের সঙ্গীতায়োজন করেছেন প্রত্যয় খান। গিটারে ছিলেন মিছিল। পেপার প্লেন ফিল্মসের হয়ে নির্দেশনায় ছিলেন নাহিদ-উজ-জামান, ক্যামেরা ও সম্পাদনায় তন্ময় শরিফ, রেদোয়ানুর রহমান ও জহির রায়হান।


মূলত পপ ও রক ঘরানার গান বেশি পছন্দ শানিলা ইসলাম প্রমিতির। বাংলা গানের পাশাপাশি করছেন ইংরেজি গানও। ইউটিউবে প্রকাশিত গানগুলো ইতোমধ্যেই বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে।


এর আগে গত ঈদুল আজহায় প্রকাশিত হয় গীতিকবি-সুরকার, নির্মাতা ও স্থপতি এনামুল করিম নির্ঝরের কথা ও সুরে ১৬টি গানের সংকলন ‘আমি কি আমাকে চিনি?’, যেখানে ১০টি গানে কণ্ঠ দেন শানিলা। 
ইকেএনসি’র ফেসবুক পেজে এবং ইউটিউব চ্যানেলে গানগুলো প্রকাশ করা হয়।


বর্তমানে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শানিলা ইসলাম হাঁটছেন বাবা-মায়ের পথেই, পড়াশোনা করছেন স্থাপত্যবিদ্যা বিভাগের পঞ্চম বর্ষে। তবে ভবিষ্যতে নিজেকে সঙ্গীতাঙ্গনেই প্রতিষ্ঠিত করতে চান তিনি।