‘ফাগুন হাওয়ায়’ বিপ্লবের সুবাস'

‘ফাগুন হাওয়ায়’
ভাষা আন্দোলনের মূল কর্মসূচিগুলো ঢাকায় সংঘটিত হলেও দেশের মফস্বল অঞ্চলগুলোতেও সমানভাবে জেগে উঠেছিলেন প্রতিবাদী জনগণ। মফস্বলের তেমনই এক অঞ্চলে গড়ে ওঠা আন্দোলনের পটভূমিতে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্রটি। ভাষার অধিকার রক্ষায় খুলনার চন্দ্রনগর থানার উর্দুভাষী পুলিশকর্তার বিরুদ্ধে এলাকাবাসির রুখে দাঁড়ানোর গল্প ‘ফাগুন হাওয়ায়’। নিজেদের পরিচয়, সংস্কৃতি, ভাষা, ঐতিহ্য, অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে লালন করার এবং যে-কোনো বাঁধার শেকল ভেঙে সামনে এগিয়ে যাওয়ার স্মারক ‘ফাগুন হাওয়ায়’।

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বড় পর্দায় অসংখ্য উল্লেখযোগ্য কাজ হয়েছে। ওরা ১১জন, আগুনের পরশমণি, জয়যাত্রাসহ আরও অনেক সিনেমার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কিন্তু সেই তুলনায় ভাষা আন্দোলনকে ঘিরে বড় পর্দায় কোনো কাজ হয়নি। আর তাই গতবছর পরিচালক তৌকির আহমেদ যখন ভাষা আন্দোলন নিয়ে ‘ফাগুন হাওয়ায়’ সিনেমাটি নির্মাণের ঘোষণা দেন, তখন থেকেই সিনেমাপ্রেমীদের অপেক্ষার পালা শুরু হয়েছিল। সমাজের বিভিন্ন ইস্যু এবং দেশের ইতিহাস নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণে তৌকির আহমেদের ভূমিকা প্রশংসনীয়। রূপকথার গল্প, জয়যাত্রা, অজ্ঞাতনামা, হালদা ইত্যাদি চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ক্রমেই নিজের শিল্পকে উন্নত করার প্রচেষ্টায় থাকা তৌকিরের জন্য ফাগুন হাওয়ায় একটি চ্যালেঞ্জ ছিল বৈকি।
ভাষা আন্দোলনের মূল কর্মসূচিগুলো ঢাকায় সংঘটিত হলেও দেশের মফস্বল অঞ্চলগুলোতেও সমানভাবে জেগে উঠেছিলেন প্রতিবাদী জনগণ। মফস্বলের তেমনই এক অঞ্চলে গড়ে ওঠা আন্দোলনের পটভূমিতে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্রটি। ভাষার অধিকার রক্ষায় খুলনার চন্দ্রনগর থানার উর্দুভাষী পুলিশকর্তার বিরুদ্ধে এলাকাবাসির রুখে দাঁড়ানোর গল্প ‘ফাগুন হাওয়ায়’। নিজেদের পরিচয়, সংস্কৃতি, ভাষা, ঐতিহ্য, অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে লালন করার এবং যে-কোনো বাঁধার শেকল ভেঙে সামনে এগিয়ে যাওয়ার স্মারক ‘ফাগুন হাওয়ায়’।