‘একসাথে দূরে থাকি, দেশটাকে ভালো রাখি’

‘একসাথে দূরে থাকি, দেশটাকে ভালো রাখি’
নিজেদের নিরাপদে রাখতে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা মানুষকে বিশ্বাসের জায়গা থেকে মোটেও দূরে সরিয়ে দিচ্ছে না, বরং আরো কাছে নিয়ে আসছে। আর এই সামাজিক দূরত্ব যেমন নিজের জন্য, তেমনি দেশের মানুষের জন্যও। স্বাধীনতার প্রত্যয়ে চাইলেই সম্ভব একসাথে দূরে থেকে দেশটাকে ভালো রাখা।

বহুদিন ধরেই দেশের সবাই চেষ্টা করছে কিভাবে মানুষকে একে অপরের আরো আছে আনা যায়। টেলিকমিউনিকেশন প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে মিডিয়া হাউজ, সবার লক্ষ্যই ছিল জনগণকে পরস্পরের কাছে আনা। নাটক, সিনেমা, গান, বিজ্ঞাপন সবখানেই প্রতিফলিত হয়েছে এই বার্তা। তবে বর্তমানে বিশ্ব দেখছে পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম এক মহামারিকে।

 

করোনা ভাইরাস, বিশ্বজুড়ে এখন এক অদেখা আতঙ্কের নাম। প্রায় সবকটি দেশেই চলছে লকডাউন পরিস্থিতি। সংক্রমণ এড়াতে মানুষকে বলা হচ্ছে পরস্পরের থেকে নূন্যতম দূরত্ব বজায় রাখতে। এই দূরত্ব কি শুধুই শারীরিক, নাকি তা প্রভাব ফেলবে সম্পর্কেও?


 
করোনা ভাইরাস মানুষকে অনেক কিছুই শেখাচ্ছে নতুন করে। শুধুমাত্র সংক্রমণ এড়াতে নয়, বরং নিজেদের পাশাপাশি পরস্পরের জীবনের তাগিদে মানুষ শিখে নিচ্ছে নিরাপদে থাকার নানা কৌশল। তারই প্রতিধ্বনি মিলেছে নতুন একটি গানের মাধ্যমে। সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্যতম টেলিকমিউনিকেশন প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন এমনই একটি গান প্রকাশ করেছে। বিশেষ এই গানটির কিছু কথা এমন- চলো একসাথে দূরে থাকি/ বিশ্বাসে কাছাকাছি/ দূরে দূরে কাছে থেকে/ দেশটাকে ভালো রাখি।

 

গত ২৬ মার্চ প্রকাশিত এই গানটির কথা লিখেছেন গাউসুল আলম শাওন। তাতে সুর দিয়েছেন চিরকুট ব্যান্ডের শারমিন সুলতানা সুমি এবং সংগীতায়োজন করেছেন একই দলের পাভেল আরিন। আর কণ্ঠ দিয়েছেন বিভিন্ন প্রজন্মের সাত শিল্পী সাদি মহম্মদ, সুমি, তাহসান খান, এলিটা করিম, মিলন মাহমুদ, নীরব ও সন্ধি।

 

গানের কথা থেকে একটি বার্তাই স্পষ্ট। নিজেদের নিরাপদে রাখতে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা মানুষকে বিশ্বাসের জায়গা থেকে মোটেও দূরে সরিয়ে দিচ্ছে না, বরং আরো কাছে নিয়ে আসছে। আর এই সামাজিক দূরত্ব যেমন নিজের জন্য, তেমনি দেশের মানুষের জন্যও। স্বাধীনতার প্রত্যয়ে চাইলেই সম্ভব একসাথে দূরে থেকে দেশটাকে ভালো রাখা।