রিভিউ

সর্বকালের সেরা ৫ রোমান্টিক জুটি

সর্বকালের সেরা  ৫ রোমান্টিক জুটি
আরেক পাগলপারা প্রেমের গল্প নিয়ে বানানো ছবি ‘প্রিটি ওম্যান’। নিজের ব্যবসা ছাড়া কিছু বোঝে না অ্যাডওয়ার্ড লুইস। নিজের ব্যবসায়িক কাজে এক সপ্তাহের জন্য এসেছে লস অ্যাঞ্জেলেসে। উঠেছে পরিচিত এক হোটেলে। নিঃসঙ্গ অনুভব করছিল বলেই ভাড়া করে স্রেফ সঙ্গ দেওয়ার জন্য ডেকে আনেন ভিভিয়ান ওয়ার্ড নামের এক দেহপসারিণীকে। ঝানু, বড্ড হিসেবি এক ব্যবসায়ী কখনও এক চালচুলোহীন পতিতার প্রেমে পড়বে? অসম্ভব! কিন্তু প্রেম অসম্ভব সমীকরণকেই মিলিয়ে দেয়। রিচার্ড গিয়ার আর জুলিয়া রবার্টসের এই জুটি জরিপে স্থান পেয়েছে তৃতীয় স্থান, ভোট পেয়েছে ১৪ শতাংশ।

টাইটানিক : 
লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও ও কেট উইন্সলেট 

জাহাজ প্রায় ছাড়ে ছাড়ে। বেশ ক’বার সাইরেন বেজেও উঠেছে। কিন্তু তখনও বন্দরের পাশের এক পানশালায় চলছে জুয়া। আর সেই জুয়ায় জিতে জ্যাক পেয়ে গেল দু’খানা টিকিট। টাইটানিকের টিকিট! সেই টিকিট নিয়ে ছুটল পড়িমরি করে। জ্যাক তখনও জানতই না, হাতে আসলে টাইটানিক নয়, ভাগ্যের টিকিট নিয়েই ছুটছে সে। সেই টিকিটই হতদরিদ্র কিন্তু প্রতিভাবান-সুদর্শন আঁকিয়ে জ্যাকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবে ধনাঢ্য পরিবারের রোজের। হবে প্রেম। যে প্রেমের শেষ পরিণতি হবে টাইটানিকের সঙ্গে জ্যাকেরও সলিল সমাধি। কিন্তু প্রেম তো ডোবে না। প্রেমের মৃত্যুও নেই। রোজ আর অনাগত সন্তানের মধ্যে বেঁচে থাকে জ্যাক, জ্যাকের ভালোবাসা।  ১৯৯৭ সালে এমনই এক মহাকাব্যিক প্রেমের গল্প দেখিয়েছিলেন পরিচালক জেমস ক্যামেরন। পরিচালকের কল্পনাশক্তি, লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও আর কেট উইন্সলেট জুটির দুর্দান্ত রসায়ন জমেছিল দারুণ এক রেকর্ড। ছবিটি ১৪টি বিভাগে মনোনয়ন পেয়ে অস্কার জিতেছিল ১১টি! শুধু তা-ই নয়, বছর দুই আগে হলিউডের ছবি নিয়ে বিভিন্ন বিভাগে একটি জরিপ করেছিল এসিবি নিউজ এবং পিপল সাময়িকী। সেই জরিপে হলিউডের সর্বকালের সেরা রোমান্টিক জুটি নির্বাচিত হয়েছিল জ্যাক-রোজের যুগলবন্দি। ২৩ শতাংশ ভোট পেয়েছিল ডিক্যাপ্রিও-উইন্সলেট জুটি। 


গন উইথ দ্য উইন্ড : 
ক্লার্ক গ্যাবল ও ভিভিয়েন লি 

সেরা রোমান্টিক জুটির তালিকায় এর পরেই আছে ১৯৩৯ সালে নির্মিত ক্ল্যাসিক ছবি ‘গন উইথ দ্য উইন্ড’-এর ক্লার্ক গ্যাবল আর ভিভিয়েন লি জুটি। ছবিটি প্রায় পৌনে শতাব্দী আগে নির্মিত। তারপরও মানুষের স্মৃতিতে এখনও জ্বলজ্বল করছে স্কারলেট ও’হারা এবং রেথ বাটলার চরিত্র দুটি। মনের মধ্যে গেঁথে আছে জ্বলন্ত আটলান্টাকে পেছনে রেখে, টকটকে লাল আকাশকে দর্শক বানিয়ে তাদের উন্মত্ত সেই চুম্বন! এই জুটি জরিপে পেয়েছে ১৫ শতাংশ ভোট। 


প্রিটি ওম্যান :
রিচার্ড গিয়ার ও জুলিয়া রবার্টস 

আরেক পাগলপারা প্রেমের গল্প নিয়ে বানানো ছবি ‘প্রিটি ওম্যান’। নিজের ব্যবসা ছাড়া কিছু বোঝে না অ্যাডওয়ার্ড লুইস। নিজের ব্যবসায়িক কাজে এক সপ্তাহের জন্য এসেছে লস অ্যাঞ্জেলেসে। উঠেছে পরিচিত এক হোটেলে। নিঃসঙ্গ অনুভব করছিল বলেই ভাড়া করে স্রেফ সঙ্গ দেওয়ার জন্য ডেকে আনেন ভিভিয়ান ওয়ার্ড নামের এক দেহপসারিণীকে। ঝানু, বড্ড হিসেবি এক ব্যবসায়ী কখনও এক চালচুলোহীন পতিতার প্রেমে পড়বে? অসম্ভব! কিন্তু প্রেম অসম্ভব সমীকরণকেই মিলিয়ে দেয়। রিচার্ড গিয়ার আর জুলিয়া রবার্টসের এই জুটি জরিপে স্থান পেয়েছে তৃতীয় স্থান, ভোট পেয়েছে ১৪ শতাংশ। 


কাসাব্ল্যাঙ্কা :
হামফ্রে বোগার্ট ও ইনগ্রিড বার্গম্যান

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিতে ১৯৪২ সালে পরিচালক মাইকেল কার্টিজ বানিয়েছিলেন আরেকটি ক্ল্যাসিক রোমান্টিক ড্রামা ছবি ‘কাসাব্ল্যাঙ্কা’। এ ছবিতে প্রথম সেই দর্শন উঠে এলÑমহৎ প্রেম শুধু কাছেই টানে না, দূরেও ঠেলে দেয়। উঠে এলো সেই দর্শনেরও কথাও, ‘তোমার প্রেমকে মুক্ত করে দাও। সে যদি তোমার থাকে, তবে অবশ্যই তা আবার তোমার কাছেই ফিরে আসবে। আর যদি ফিরে না আসে, জানবে, সে তোমার কখনোই ছিল না।’ রিক ব্লেইন আর আইলা লুন্ড চরিত্র দুটিতে দুর্দান্ত অভিনয় করে সেরা রোমান্টিক জুটির তালিকায় চারে স্থান করে নিয়েছেন হামফ্রে বোগার্ট ও ইনগ্রিড বার্গম্যান। ১২ শতাংশ ভোট পেয়েছে এই জুটি। 

স্পেনসার ট্রেসি ও ক্যাথারিন হেপবার্ন 
জুটির তালিকায় পাঁচে আছে স্পেনসার ট্রেসি ও ক্যাথারিন হেপবার্ন। ১৯৪২ সালে ‘ওম্যান অব দ্য ইয়ার’ ছবির সেটে পরিচয় হয়েছিল দু’জনার। এরপর এই জুটির রসায়নে হলিউড দর্শক বিমুগ্ধ হয়েছিল এক দশকের বেশি সময়। এ সময়টায় এই জুটি উপহার দিয়েছে ‘উইদাউট লাভ’, ‘অ্যাডামস রিব’-এর মতো দুর্দান্ত নয়টি রোমান্টিক ছবি।