বিয়ের প্রলোভনে ৫৭ শতাংশ ধর্ষণ উত্তর প্রদেশে

Poster
রাজ্যে ৩৭ ভাগ মামলায় ধর্ষকরা বেঁচে থাকা ব্যক্তির কাছে পরিচিত ছিল। অপরদিকে ৬ শতাংশ ধর্ষক ছিলো অপরিচিত। বাকী ৫৭ শতাংশ ধর্ষণ বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সংঘঠিত হয়।

২০১৯ সালে ভারতের উত্তর প্রদেশ (ইউপি) রাজ্যে সংঘঠিত ধর্ষণের ৫৭ শতাংশই বিয়ের মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে হয়েছিল। নারীদের বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এসব ধর্ষণ করা হতো। ভারতের জাতীয় অপরাধ রেকর্ডস ব্যুরো (এনসিআরবি) প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য এমন সংবাদ পাওয়া যায়। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

 

সরবরাহকৃত তথ্যানুযায়ী, রাজ্যে ৩৭ ভাগ মামলায় ধর্ষকরা বেঁচে থাকা ব্যক্তির কাছে পরিচিত ছিল। অপরদিকে ৬ শতাংশ ধর্ষক ছিলো অপরিচিত। বাকী ৫৭ শতাংশ ধর্ষণ বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সংঘঠিত হয়।

 

 

ধর্ষণের ঘটনাগুলোর বিষয়ে উত্তর প্রদেশের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিচালক (এডিজি) আশুতোষ পান্ডে জানান, ধর্ষণের ঘটনার একটা সাধারণ প্রবণতা হচ্ছে, অধিকাংশ সময় ধর্ষক ভুক্তভোগীর পরিচিত। এ ধরনের ঘটনায় ভুক্তভোগীর উচিত থানায় মামলা দায়ের করা। এর মাধ্যমে অপরাধীরা উচ্চতর রিপোর্টিং এর আওতায় পড়ে এবং তাদের দোষী সাব্যস্ত করতে সহায়তা করে। এই জাতীয় অপরাধের অপরাধীদের কাছে একটি স্পষ্ট বার্তা প্রেরণ করতে পারি। তিনি আরও জানান, এখন ‘মিশন শক্তি’ কর্মসূচির আওতায় রাজ্য সরকার যে বিধি-বিধানগুলি করছে, সে সম্পর্কে মহিলাদের সচেতন করতে হবে।

 

এছাড়াও মামলার প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য, অবিচ্ছিন্ন ও নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে আদালতে অপরাধীদের দোষী সাব্যস্ত করতে সক্ষম হয়েছি। এর মাধ্যমে অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় উত্তর প্রদেশে মহিলাদের বিরুদ্ধে সংঘঠিত সকল ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ দন্ড দেয়ার রেকর্ড রয়েছে। মহিলাদের বিরুদ্ধে যেকোন ধরনের নিপীড়নের ক্ষেত্রে উত্তর প্রদেশে সর্বোচ্চ দণ্ডিত হার ছিল ৫৫ শতাংশ, তারপরে উত্তরাখণ্ডে ৫০ এবং রাজস্থানে ৪৫.৫ ভাগ বলে জানান মি. পান্ডে।