১৪ বছরের জেল হতে পারে সু চির

১৪ বছরের জেল হতে পারে সু চির
অং সান সু চি
অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ভঙ্গের গুরতর অভিযোগ আনা হয়েছে সু চির বিরুদ্ধে। এছাড়া ঘুষ গ্রহণের অভিযোগেও মামলা করা হয়েছে। এসব অভিযোগ প্রমাণিত হলে ৭৫ বছর বয়সী সু চিকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হতে পারে।  সু চি বর্তমানে রাজধানী নাইপিদোতে গৃহবন্দি অবস্থায় আছে। 

আগামি সপ্তাহ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে মিয়ানমারের সাবেক ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) প্রধান নেতা অং সান সু চি'র বিচার। সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিলেন তিনি। তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমাণিত হলে সু চির ১৪ বছরের জেল হতে পারে বলে জানা গেছে। গতকাল (৮ জুন) আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার আইনজীবী খিন মং জাও।

 

গত ১ লা ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করে জান্তা সরকার। বন্দি করা হয় দেশটির নেত্রী অং সান সু চিসহ তার দলের শীর্ষ নেতাদের। এরপর সু চির বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগে মামলা করে সামরিক সরকার। এরপর সু চির বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগে মামলা করে সামরিক সরকার।

 

অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ভঙ্গের গুরতর অভিযোগ আনা হয়েছে সু চির বিরুদ্ধে। এছাড়া ঘুষ গ্রহণের অভিযোগেও মামলা করা হয়েছে। এসব অভিযোগ প্রমাণিত হলে ৭৫ বছর বয়সী সু চিকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হতে পারে।  সু চি বর্তমানে রাজধানী নাইপিদোতে গৃহবন্দি অবস্থায় আছে। 

 

কয়েকমাস পর সেই মামলার বিচার কাজ শুরু হচ্ছে। সু চির আইনজীবী খিন মং জাও বলেন, আগামী ১৪ ও ১৫ জুন তার বিরুদ্ধে আনিত সব মামলার বিচার কাজ শুরু হবে। খিন মং জাও বলেন, 'রাষ্ট্রপক্ষ চলতি মাসেই মামলাটি শেষ করতে চায়। আমাদের পক্ষ থেকেও দ্রুতই মামলা শেষ করতে বলা হয়েছে।আগামী সপ্তাহ থেকে প্রতি সোমবার ও মঙ্গলবার করে বিচারকাজ চলবে।'

 

মিয়ানমারে সামরিক জান্তার হাতে সব রাজবন্দিদের দ্রুত মুক্তির আহ্বান জানিয়েছে আঞ্চলিক জোট আসিয়ানের রাষ্ট্রদূতরা। সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকেই দেশটিতে বিক্ষোভ করছে গণতন্ত্র পন্থিরা। জান্তা সরকার ইতোমধ্যে সু চির দল এনএলডি বিলুপ্ত করার হুমকিও দিয়েছে। জান্তা সমর্থিত নির্বাচন কমিশনের অভিযোগ, ২০২০ সালের নির্বাচনে এনএলডি জালিয়াতির মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে।