বিশ্বব্যাপী সমাদৃত ফ্যাশন ব্র্যান্ড গুল আহম্মেদ বাংলাদেশে!

সেলাই
গুল আহম্মেদ ফ্যাশন ব্র্যান্ডের স্বীকৃত পরিবেশক হিসেবে বাংলাদেশ অনেক আগ থেকেই কাজ করছে দেশীয় ক্লোথিং স্টোর “সেলাই”। “সেলাই” এর পরিচালক রুবাবা আকতার বলেন, “ পাকিস্তানি ফ্যাশন ব্র্যান্ড গুলোর মধ্যে বাংলাদেশে গু আহম্মেদের চাহিদা সবসময়ই বেশি। আমরা গুল আহম্মেদ বিক্রি করছি বেশ অনেকদিন, এই ব্র্যান্ডটির একটা আলাদা কাস্টমার বেইজ আছে যারা গুল আহম্মেদ ছাড়া অন্য ব্র্যান্ড কল্পনাও করতে পারেনা। তাই সরাসরি পাকিস্তান থেকেই আমরা ড্রেসগুলো ইম্পোর্ট করে থাকি।“

পাকিস্তানের বিখ্যাত ফ্যাশন ব্রান্ড গুল আহম্মেদ বিশ্বব্যাপী এক নামে সমাদৃত। বাংলাদেশের বাজারেও পছন্দের তালিকায় শীর্ষস্থানে এই ফ্যাশন ব্রান্ড।

 

গুল আহমেদ বিশ শতকের গোড়ার দিকে টেক্সটাইলের ব্যবসা শুরু করেছিলেন। ১৯৫৩ সালে, গুল আহম্মেদ টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড নামে উৎপাদন ক্ষেত্রে প্রবেশের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং বেসরকারীভাবে একটি সীমাবদ্ধ সংস্থা হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল তখন। পরবর্তীতে ১৯৭০ সালে এটি করাচি স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ছিল এবং এটি পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় সম্মিলিত টেক্সটাইল হাউসগুলির মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচিত হয়। করাচির সদরের জায়েবুননিসা স্ট্রিটের অ্যাট্রিয়াম মলে খুচরা বিক্রয় কেন্দ্র দিয়ে শুরু করে ২০০৩ সালে। আর এখন তো সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে এক নামে।

 

গুল আহম্মেদ ফ্যাশন ব্র্যান্ডের স্বীকৃত পরিবেশক হিসেবে বাংলাদেশ অনেক আগ থেকেই কাজ করছে দেশীয় ক্লোথিং স্টোর “সেলাই”। “সেলাই” এর পরিচালক রুবাবা আকতার বলেন, “ পাকিস্তানি ফ্যাশন ব্র্যান্ড গুলোর মধ্যে বাংলাদেশে গু আহম্মেদের চাহিদা সবসময়ই বেশি। আমরা গুল আহম্মেদ বিক্রি করছি বেশ অনেকদিন, এই ব্র্যান্ডটির একটা আলাদা কাস্টমার বেইজ আছে যারা গুল আহম্মেদ ছাড়া অন্য ব্র্যান্ড কল্পনাও করতে পারেনা। তাই সরাসরি পাকিস্তান থেকেই আমরা ড্রেসগুলো ইম্পোর্ট করে থাকি।“

 

সেলাই এর ফেসবুক পেইজঃ  https://www.facebook.com/shelaibd

 

পাকিস্তানি সালোয়ার কামিজের প্রচুর চাহিদা থাকার বিষয়টি আমাদের দেশে নতুন নয়। তবে অথেনটিক পাকিস্তানি পোষাক পাওয়াটা চ্যালেঞ্জিং। আর তাই স্বীকৃত পরিবেশক থেকে পণ্য না কিনলে নকল হওয়ার বিশাল একটা সম্ভাবনা থেকে যায়।

 

গুল আহম্মেদের সকল এক্সক্লুসিভ ক্যাটালগ এবং দারুন সব ড্রেস “সেলাই” তে পাবেন আকর্ষনীয় মূল্যে।