শুক্রবার,২৪ নভেম্বর ২০১৭
হোম / খাবার-দাবার / বনভোজনের খাবার-দাবার
১২/২৯/২০১৬

বনভোজনের খাবার-দাবার

-

চলে এসেছে শীত। মনোরম আবহাওয়া। বাচ্চাকাচ্চাদের পরীক্ষা শেষ। সময় এখন বেড়িয়ে পরবার। পিকনিকেরও পারফেক্ট সময়। সেই চিন্তা মাথায় রেখেই ফাতিমা আজিজ দিয়েছেন বেশ কিছু মজাদার রেসিপি।

সবজি ও ফলের রঙিন সালাদ

উপকরণ:
শসা (বিচি ফেলে কিউব করে কাটা) ১ কাপ
টমেটো (বিচি ফেলে কিউব করে কাটা) ১ কাপ
গাজর (ভাপিয়ে নিয়ে কিউব করে কাটা) ১/২ কাপ
জাম্বুরা ১ কাপ
লেটুসপাতা কুচি ১ কাপ
বিট রুট (ভাপিয়ে নিয়ে কিউব করে কাটা) ১ কাপ
সিদ্ধ করা আলু (কিউব করে কাটা) ১ কাপ
লবণ ২ চা-চামচ/স্বাদ অনুযায়ী
বাঁধাকপিকুচি ১ কাপ
কাঁচামরিচকুচি ১ টেবিল চামচ
পুদিনাপাতাকুচি ২ টেবিল চামচ
ধনেপাতাকুচি ২ টেবিল চামচ
রোস্টেড কাজুবাদাম ৩ টেবিল চামচ।

সালাদ ড্রেসিং

উপকরণ:
মেয়নিজ ২ টেবিল চামচ
মাস্টার্ড ক্রিম/পেস্ট ১ টেবিল চামচ
লবণ ১/৪ চা-চামচ
ব্রাউন সুগার ১/২ চা-চামচ
অলিভ অয়েল ১ টেবিল চামচ
গোলমরিচগুঁড়া ১/২ চা-চামচ
তাবাস্কো সস ২ চা-চামচ।

সব উপকরণ একসাথে মিশিয়ে ভালো করে হুইস্ক করে একটি মসৃণ ড্রেসিং তৈরি করুন।

প্রণালি:
সালাদের সব উপকরণ একসাথে মিশিয়ে মেখে নিয়ে সালাদ ড্রেসিং দিয়ে মিশিয়ে পরিবেশন করুন সবজি ও ফলের রঙিন সালাদ।

কিমা পরোটা রোল

কিমার উপকরণ:
গরু/মুরগির কিমা (পাটায় পিষে নেয়া) ৫০০ গ্রাম
লবণ ১ চা-চামচ/স্বাদ অনুযায়ী
সয়াবিন তেল ১/৪ কাপ
পেঁয়াজ (মিহি করে কাটা) ১/২ কাপ + ১/২ কাপ
আদাবাটা ১ চা-চামচ
রসুনবাটা ১ চা-চামচ
গোলমরিচগুঁড়া –১/২ চা-চামচ
গরম মসলাবাটা ১ চা-চামচ
জিরা বাটা ১/২ চা-চামচ
টমেটো কেচাপ ২ টেবিল চামচ
সিরকা ১ টেবিল চামচ
কাঁচামরিচকুচি ১ চা চামচ

প্রণালি:
কড়াই বা ডিপ প্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজ সোনালি করে ভেজে, মাংসের কিমা, সিরকা ও লবণ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নাড়ুন। খুন্তি দিয়ে মাংস থেঁত করে করে নাড়ুন।

মাংস একটু ভাজা ভাজা হলে টমেটো কেচাপ বাদে বাকি সব উপকরণ মিশিয়ে কষিয়ে নিন। মাংস কষানো হলে ২ থেকে ৩ কাপ গরম পানি দিয়ে মাঝারি আঁচে ঢেকে রান্না করুন। পানি কমে এলে বাকি ১/২ কাপ পেঁয়াজকুচি দিয়ে ঢেকে দিন।

মাংস সিদ্ধ হয়ে পানি টেনে আসলে আঁচ বাড়িয়ে টমেটো কেচাপ ও কাঁচামরিচকুচি দিয়ে মিশিয়ে রান্না করুন। মাখা মাখা হলে আঁচ কমিয়ে ঢেকে দিন। ৫ মিনিট পর চুলা বন্ধ করে দিন। একটি পাত্রে কিমা উঠিয়ে রাখুন।

পরোটার উপকরণঃ
ময়দা ৪ কাপ
ঘি বা তেল ১ কাপ
লবণ দেড় চা-চামচ
পানি সোয়া ১ কাপ।

প্রণালি:
১. ময়দায় লবণ মশিয়ে ৪ টেবিল চামচ ঘি বা তেল দিয়ে ময়ান দিন। পানি দিয়ে ভালো করে মথে নিয়ে ১০টি ভাগ করে ১৫/২০ মিনিট ঢেকে রাখুন।
২. একভাগ ময়দা দিয়ে বড় পাতলা রুটি বেলে তার উপরে তেল মেখে সামান্য শুকনো ময়দা ছিটিয়ে ১ ইঞ্চি রোল করে মুড়িয়ে নিয়ে এক প্রান্ত থেকে মুড়ে গোল করতে হবে।
৩. রুটি বেলার পিঁড়িতে সামান্য ময়দা ছিটিয়ে পরোটা গোল করে বেলে নিতে হবে।
৪. তাওয়া গরম হলে তেল বা ঘি দিয়ে পরোটা ভেজে নিন। ভাজার পর ৩-৪টি পরোটা একটির উপরে আরেকটি রেখে দুহাত দিয়ে দুদিক থেকে চাপড়ে পরোটার ভাজ ভেঙে নিন। তারপর একটি কাপড় দিয়ে পরোটাগুলো ঢেকে রাখুন। তবে রোলের পরোটা না ভাঙলেই ভালো হয়।

সালাদের জন্যে:
একটি সালাদ বোলে বাঁধাকপি ঝুরি, গাজর ও শসা ঝুরি, পুদিনা পাতাকুচি, কাঁচামরিচকুচি, পেঁয়াজকুচি ও লেটুস পাতাকুচি, লবণ, সামান্য চিনি এবং লেবুর রস মশিয়ে সালাদ তৈরি করুন।

রোলের জন্যে যা যা লাগবে:
কিমা, পরোটা, ডিম ওমলেট, সালাদ এবং ঝুরি করা পনির ও টুথপিক।
প্রতিটি রোলের জন্যে ১টি করে পরোটা, ডিম ওমলেট, পরিমাণমতো কিমা ও ঝুরি করা পনির এবং সালাদ লাগবে।

যেভাবে রোল তৈরি করবেন:
- একটি ডিনার প্লেটে একটি করে পরোটা রেখে প্রথমে তার উপরে ওমলেট দিয়ে কিমা বিছিয়ে দিয়ে ঝুরি করা পনির ছিটিয়ে দিয়ে মাইক্রো ওভেনে ৩০ সেকেন্ড গরম করে নিয়ে পনির গলিয়ে নিন। তারপর এই পরোটার উপর সালাদ দিয়ে রোল করে মুড়ে টুথপিক গেঁথে দিন। এভাবে প্রতিটি রোল তৈরি করে মনের মতো করে সাজিয়ে সার্ভ করুন গরম গরম কিমা পরোটা রোল।

চিকেন কাঠি কাবাব

উপকরণ:
মুরগির কিমা – ৫০০ গ্রাম
পেঁয়াজ (মিহি কুচি) ২টি
কাঁচামরিচ (মিহিকুচি) ২টেবিল চামচ
ধনেপাতাকুচি ৩ টেবিল চামচ
আদাবাটা ২ চা-চামচ
রসুনবাটা ১ চা-চামচ
গরম মসলা গুঁড়া ২ চা-চামচ
রেড চিলি ফ্লেক্স ২ চা-চামচ
লবণ ১ চা-চামচ/স্বাদ অনুযায়ী
মাখন ৪ টেবিল চামচ
ব্রেড ক্রাম্ব ১/২ কাপ
লেবুর রস ২ চা-চামচ/স্বাদ অনুযায়ী
কাঠি (মাঝারি) ১২টি
গোলমরিচগুঁড়া ১/২ চা-চামচ
এলাচগুঁড়া ১/২ চা-চামচ
জয়ত্রীগুঁড়া ১/৮ চা-চামচ

প্রণালি:
১. প্রথমে পেঁয়াজকুচি ব্লেন্ডারে হালকা ব্লেন্ড করুন। তারপর ধনেপাতাকুচি, কাঁচামরিচকুচি, আদা বাটা, রসুনবাটা, মুরগির কিমা সব একসাথে মসৃণ করে ব্লেন্ডা করে নিন।
২. একটি মিক্সিং বোলে কিমার মিশ্রণের সাথে গরম মসলার পাউডার, লবণ, গোলমরিচের গুঁড়া, এলাচগুঁড়া, লেবুর রস, ২ টেবিল চামচ গলানো মাখন, ব্রেড ক্রাম্ব, রেড চিলি ফ্লেক্স দিয়ে মিশিয়ে ভালো করে মেখে নিন। ৩০ মিনিট রেখে দিন।
৩. কাঠিগুলো ধুয়ে গুছিয়ে রাখুন। কিমা ও মসলার মিশ্রণ ১০ থেকে ১২ ভাগে ভাগ করুন। হাতের তালু পানি দিয়ে ভিজিয়ে একেক ভাগ নিয়ে লম্বা আকৃতি করে রোল গড়ে নিয়ে আঙুলের উপর বিছিয়ে রাখুন। তারপর কাঠি নিয়ে মাংসের রোলের উপর রেখে চারপাশ থেকে চেপে চেপে মুড়ে দিন। কাঠির মধ্যে কিমার মিশ্রণ টাইট করে সেট করুন যেন খুলে না যায়।
৪. ১ টেবিল চামচ মাখন প্যানে গলিয়ে ৪/৫ টি কাঠি কাবাব চারপাশ ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে সোনালি করে ভেজে নিন। ভাজার সময় ও কাবাবের চারপাশে মাখন ব্রাশ করে নিবেন।
৫. বড় পেঁয়াজ রিং করে কেটে (অনিয়ন রিং) ও লেমন স্লাইস দিয়ে পরিবেশন করুন।

বিফ মসলা কারি

উপকরণ:
গরুর মাংস (পেছনের রানের চাকা মাংস) ১ কেজি
পেঁয়াজ (মিহিকুচি) ৩টি (দেশি পেঁয়াজ বড়)
রসুনবাটা ১ চা-চামচ
আদাবাটা ২ চা-চামচ
পেঁয়াজবাটা আধাকাপ
টমেটোকুচি আধাকাপ
ধনেপাতাকুচি ১/৪ কাপ
লবণ ১ চা-চামচ+ ১ চা-চামচ
কালো গোলমরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ
হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ
গরমমসলাগুঁড়া ১ টেবিল চামচ
জিরাগুঁড়া ১ চা-চামচ
লাল মরিচের গুঁড়া কিংবা বাটা ১ চা-চামচ
প্যাপরিকা ১/২ চা চামচ
লেমন জেস্ট- ১/২ চা-চামচ
ব্রাউন সুগার ১ চা-চামচ
বিফ স্টক ১/২ কাপ থেকে ১ কাপ
তেল ১ টেবিল চামচ + ২ টেবিল চামচ
ধনেগুঁড়া ১ চা-চামচ

প্রণালি:
১. হাঁড়িতে ১ টেবিল চামচ তেল গরম করে পেঁয়াজকুচি সোনালি করে ভেজে গরম মসলাগুঁড়া বাদে অন্যান্য বাটা ও গুঁড়া মসলা এবং লবণ দিয়ে কষিয়ে নিন ৩ মিনিট। সামান্য পানি দিয়ে কষিয়ে নিন।
২. এবারে ব্রাউন সুগার ও টমেটোকুচি দিয়ে আরও কিছুক্ষণ কষিয়ে নিন। ফুটে উঠলে নামিয়ে রাখুন। ঠান্ডা হলে ফুড প্রসেসর বা ব্লেন্ডারে দিয়ে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন। মাংসে ১ চা-চামচ লবণ মেখে ৩০ মিনিট রেখে দিন।
৩. এবারে বাকি তেল প্যানে গরম করে মাংসের চারপাশে সোনালি করে ভেজে তাতে তৈরি করা মসলার মিশ্রণের পেস্ট দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করুন। ভালো করে কষানো হলে বিফ স্টক দিয়ে মিশিয়ে নেড়ে লেমন জেস্ট দিয়ে মৃদু আঁচে ঢেকে রান্না করুন। মাংস সিদ্ধ না হলে আরেকটু বিফ স্টক দিয়ে রান্না করুন। মাংস সিদ্ধ হয়ে মাখা মাখা হলে একবার নেড়ে গরম মসলাগুঁড়া ও ১ টেবিল চামচ ধনেপাতাকুচি গারনিশিং-এর জন্যে রেখে বাকি ধনেপাতাকুচি বিফ মসলা কারিতে ছিটিয়ে দিয়ে ঢেকে চুলা বন্ধ করে দিন। সারভিং বোলে ধনেপাতাকুচি ছিটিয়ে দিয়ে গরম গরম পোলাও-এর সাথে পরিবেশন করুন।

মোরগ মোন্তাজান

উপকরণ:
মোরগ (মাঝারি) ২টি
টকদই ১ কাপ
পোস্তদানা বাটা ১ টেবিল চামচ
পেঁয়াজবাটা ৩/৪ কাপ
মৌরিগুঁড়া ১ চা-চামচ
জয়ত্রী গুঁড়া ১/৪ চা চামচ
আদাবাটা ১ টেবিল চামচ
রসুন বাটা ১ চা-চামচ
ধনেগুঁড়া ১ টেবিল চামচ
জিরাগুঁড়া ২ চা-চামচ
মরিচবাটা ১ টেবিল চামচ
আলু বোখারা ১/৪ কাপ
বাদাম ১/৪ কাপ + ২ টেবিল চামচ
লবণ ২ থেকে আড়াই চা-চামচ/ স্বাদ অনুযায়ী
মাওয়া ১/২ কাপ (১/৪ + ১/৪ কাপ)
সয়াবিন তেল ১ কাপ
কিসমিস ১/৪ কাপ + ১ টেবিল চামচ।

প্রস্তুত প্রণালি:
১. মোরগ ছিলে পরিষ্কার করে একেকটি মোরগ ৪ টুকরো করে ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিয়ে সামান্য লবণ দিয়ে ২০/২৫ মিনিট মেখে রেখে দিন। পুনরায় ভালো করে কচলে ২/৩ বার ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।
২. যে হাঁড়িতে মোরগ রান্না হবে সেই হাঁড়িতে ১ টেবিল চামচ কিসমিস, ২ টেবিল চামচ বাদাম ও ১/৪ কাপ মাওয়া বাদে মোরগসহ অন্যান্য বাকি সব উপকরণ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে ঢেকে চুলায় অল্প আঁচে ১ ঘণ্টা রান্না করুন।
৩. পানি শুকিয়ে তেলের উপরে উঠলে সাবধানে কষিয়ে নিন যেন মোরগের টুকরা না ভাঙে। মাংস সিদ্ধ না হলে পানি দিয়ে কষিয়ে নিন। ভালো করে কষানো হলে আঁচ কমিয়ে ঢেকে দিন। ৫ মিনিট পর চুলা বন্ধ করে দিন।
৪. উপরের অবশিষ্ট কিসমিস, বাদামকুচি ও মাওয়া দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

নারকেল পোলাও

উপকরণ:
নাকেলের দুধ ২কাপ
বাসমতি চাল ১ কেজি (ধুয়ে ৩০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে)
মাখন ৪ টেবিল চামচ
তেল ৪ চা-চামচ
পেঁয়াজ (মিহি স্লাইস) ১ কাপ
লবঙ্গ ৪টি
দারুচিনি (১ইঞ্চি) ৪টি
ছোট এলাচ ৪টি
ফুটানো গরম পানি ৭ কাপ
লবণ দেড় টেবিল চামচ
মটরশুঁটি ১ কাপ
ঝুরি করা গাজর ১কাপ
রোস্টেড কাজুবাদাম ৪ টেবিল চামচ + ১ টেবিল
চামচ (গারনশিং-এর জন্য)

গারনিশিং-এর জন্য:
ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ
কোরানো নারকেল ২ টেবিল চামচ
লেবু (পাতলা গোল করে কাটা) ৩ টুকরা
গ্রেটেড গাজর-২ টেবিল চামচ
গোলমরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ।

প্রণালি:
১. হাঁড়িতে তেল ও মাখন গরম করে কাজুবাদাম ভেজে ছেঁকে একটি বাটিতে উঠিয়ে রাখুন।
২. এবারে একই তেল ও মাখনে গরম মসলার ফোঁড়ন দিয়ে গাজর ও মটরশুঁটি দিয়ে ২/১ মিনিট ভেজে চাল ও লবণ দিয়ে কিছুক্ষণ ভাজুন। চাল ভাজা হলে গরম পানি দিয়ে নেড়ে মাঝারি আঁচে ঢেকে দিন।
৩. চাল ও পানি সমান সমান হলে নারকেলের দুধ ও রোস্টেড কাজুবাদাম দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিন। পানি টেনে গেলে আঁচ কমিয়ে পোলাও বড় হাতা দিয়ে এপিঠওপিঠ করে নেড়ে ঝুরি করা আদাঝুরিছিটিয়ে ঢেকে তাওয়ার উপর ১০/১৫ মিনিট দুমে রাখুন। তারপর আরেকবার সাবধানে এপিঠওপিঠ করে নেড়ে ঢেকে চুলা বন্ধ করে দিন। পরিবেশন ডিশে বেড়ে গোলমরিচ ছিটিয়ে ধনেপাতাকুচি, কোরানো নারকেল ও ঝুরি করা গাজর এবং লেবুর টুকরো দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

ক্রিস্পি অ্যান্ড স্পাইসি ফ্রাইড পটাটো

উপকরণ:
মাঝারি ছোটআলু ৪টি
টকদই ১/২ কাপ (১ টেবিল চামচ পানি দিয়ে ফেটে নিন)
তেল ভাজার জন্য
ময়দা ৩/৪ কাপ

মসলার মিশ্রণ:
পার্সলি বা ধনেপাতাকুচি ১ চা-চামচ
বেসিল লিফকুচি ১ চা-চামচ
অরিগেনো ১ চা-চামচ
রোজমেরি ১ চা-চামচ
রেড চিলি ফ্লেক্স ২ চা-চামচ
লবণ ১ চা-চামচ + ১/২ চা-চামচ
চিনি ১/২ চা-চামচ
গোল মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ
সাইট্রিক এসিড ১ চিমটে
কাঁচামরিচবাটা ১ চা-চামচ

প্রণালি:
১. মিশ্রণের মসলাসমূহ ও ১ চা-চামচ লবণসহ ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিয়ে একটি শুকনো বাটিতে একপাশে রেখে দিন।
২. একটি মিক্সিং বোলে ফেটানো টকদই এবং একটি শুকনো ট্রেতে ময়দা আলাদা করে রাখুন।
৩. মসলার অর্ধেক মিশ্রণ ও কাঁচামরিচবাটা দইয়ের সাথে ভালো করে মিশিয়ে নিন। বাকি অর্ধেক মসলার মিশ্রণ ও বাকি লবণ ময়দার সাথে ভালো করে মিশিয়ে নিন।
৪. আলু ধুয়ে ছিলে নিন। একেকটি আলু লম্বালম্বি ৪ টুকরো করে নিন। তারপর আলু ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিয়ে একটি করে আলুর পিস প্রথমে দুই ও মসলার মিশ্রণে চুবিয়ে পরে মসলা ও ময়দার মিশ্রণে গড়িয়ে নিন। ময়দায় আলু গড়িয়ে তা কিছুক্ষণের জন্যে তারের র‌্যাকে রাখুন। এতে ময়দা কিছু আলুতে শুষে নিবে।
৫. ডিপ ফ্রাইয়ের জন্য তেল গরম করে কড়া আঁচে অল্প কিছুক্ষণ আলুগুলো ভেজে আঁচ কমিয়ে আরও কিছুক্ষণ ভেজে লালচে হয়ে আলু সিদ্ধ হলে তেল ছেঁকে উঠিয়ে কিচেন পেপার টাওয়ালে রাখুন। ভাজার জন্যে ৭ থেকে ৮ মিনিট সময় লাগবে।
৬. মনের মতো করে সাজিয়ে পরিবেশন করুন ক্রিস্পি অ্যান্ড স্পাইসি ফ্রাইড পটাটো।

বিট রুট জাফরানি লাড্ডু

উপকরণ:
ঝুরি করা বিট রুট ১ কাপ
কোরানো নারকেল ১ কাপ
চিনি ১ কাপ
ঘি ১/৪ কাপ
ক্রিম ১/২ কাপ
মাওয়া ১/২ কাপ
রোস্টেড কাজুবাদাম ২ টেবিল চামচ
এলাচগুঁড়ো ১ চা-চামচ
জাফরান ১ চা-চামচ
গোলাপজল ২ চা-চামচ
গুঁড়ো দুধ ৩ টেবিল চামচ
তবক এবং সাজানো জন্য ট্রে।

প্রণালি:
১. প্যানে ঘি গলিয়ে কাজুবাদামগুলো ভেজে তুলে নিন। এবারে ১/৪ চা-চামচ জাফরান হালকা ভেজে এতে ঝুরিকরা বিট রুট ও কোরানো নারকেল দিয়ে কিছুক্ষণ ভাজার পর চিনি মিশিয়ে অনবরত নাড়ুন।
২. বাকি জাফরান গোলাপজলে ভিজিয়ে ঢেকে রাখুন।
৩. এবারে বিট রুট ও নারকেলের মিশ্রণে ক্রিম ও মাওয়া দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে রান্না করুন। রোস্টেড কাজুবাদাম আধা ভাঙা করে ছিটিয়ে দিয়ে অনবরত নাড়ুন। শুকিয়ে আঠালো হয়ে এলে লাড্ডুর মিশ্রণ থেকে ঘি ছাড়া শুরু করলে চুলা বন্ধ করে দিয়ে একটি বোলে ঢেলে রাখুন। হাতের তালুতে পানি মেখে মিশ্রণ থেকে কিছু কিছু নিয়ে গোলাকৃতির লাড্ডু তৈরি করে একটি ট্রেতে সাজিয়ে রাখুন। ইচ্ছে করলে রুপালি তবক দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করতে পারেন।