বৃহস্পতিবার,২৩ নভেম্বর ২০১৭
হোম / রূপসৌন্দর্য / সাশ্রয়ী সাজগোজ
১১/২১/২০১৬

সাশ্রয়ী সাজগোজ

-

সুন্দর ত্বক আর তারুন্য ধরে রাখতে নিয়মিত রূপচর্চা বেশ জরুরি। তবে ঘরে বসে নিয়ম করে নিজের যত্ন নেওয়ার সময় মিলে কয়জনের! তাই বেশিরভাগ মেয়েদেরই পছন্দ বিউটি পার্লারগুলো। কিন্তু ভালো বিউটি পার্লারের খরচও কম নয়।

অন্যদিকে হাল ফ্যাশনে মেকআপের জনপ্রিয়তা বাড়ছে প্রতিদিনই। তাছাড়া কর্মক্ষেত্র বা বিশ্ববিদ্যালয় হোক বা সাধারণ বেড়ানো, সব স্থানেই সামান্য মেকআপ এখন না করলেই নয়। আর সেই সঙ্গে বাড়ছে মেকআপ ব্র্যান্ডের সংখ্যা।

কিন্তু ভালো মানের প্রসাধনী কিনতে টাকাও গুনতে হয় অনেক। যা সবার হাতের নাগালের মধ্যে থাকে না বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই। ত্বকের যত্ন এবং প্রয়োজনীয় প্রসাধনী কেনার সময় কিছু বিষয় মাথায় রেখে এবং খানিকটা বুদ্ধি খাটালেই বাজেটের মধ্যে সবটা করা সম্ভব।

একাধিক কাজে ব্যবহার করা যাবে এমন পণ্য বেছে নেওয়া।

বাজারে এখন এমন কিছু প্রসাধনী পাওয়া যায় যেগুলো একই সঙ্গে একাধিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যায়। যেমন, কনসিলার এবং প্রাইমারের কাজ করবে এমন ফাউন্ডেশন বেছে নেওয়া, লিপস্টিক ও লিপবামের কাজ করবে এমন লিপ কালার বেছে নেওয়া ইত্যাদি। এতে করে অতিরিক্ত প্রসাধনী কিনতে বাড়তি টাকাও খরচ হবে না; পাশাপাশি ব্যাগে একগাদা প্রসাধনী নিয়ে ঘোরার ঝক্কিও কিছুটা কমবে।

খরচ আরও কমাতে জেল বা লিকুইড লাইনারের বদলে পেন্সিল লাইনার বেছে নেওয়া যেতে পারে। পেন্সিল লাইনার দামেও সস্তা আর টেকেও দীর্ঘদিন।

মাসে একবার পার্লারে যান

মাসে নির্ধারিত একটি দিনে পার্লারে গিয়ে ফেশিয়াল, পেডিকিউর ও মেনিকিউর এবং চুলের জন্য প্রয়োজনীয় ট্রিটমেন্ট নিয়ে নিতে পারেন। এতে বারবার পার্লারে যাওয়ার ফলে বেহিসেবি খরচের পরিমাণ কমবে। তাছাড়া ঘরে নিজে ঘরোয়া উপায়ে পেডিকিউর ও মেনিকিউর করে নিলেও খরচের লাগাম টানা যাবে।

শুধু জরুরি জিনিসগুলোই কেনা

যখন কেনাকাটার বাজেট কম থাকে তখন নতুন ও বাড়তি প্রসাধনী কিনে টাকা খরচ না করাই বুদ্ধিমানের কাজ। এ-ধরনের পরিস্থিতিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলোই বেছে নিতে হবে।

ডিসকাউন্টে কেনাকাটা

সাধারণ দামের তুলনায় যদি কিছু কম দামে একই জিনিস পাওয়া যায় তবে মন্দ কি! প্রসাধনী ব্যান্ডগুলো এবং বিভিন্ন দোকানে নানাসময় ডিসকাউন্টসহ অন্যান্য অফার দেওয়া হয়। এই সুযোগে কমখরচে বেশ কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস কিনে নেওয়া যেতে পারে।

তাছাড়া খরচের চাপ কমাতে প্রয়োজনীয় জিনিসের তালিকা তৈরি করে নেওয়া যেতে পারে। তালিকা থেকে গুরুত্ব অনুযায়ী জিনিসগুলো ভাগ করে নিলে সমস্যা কম হয়। সেক্ষেত্রে একই মাসে সব না কিনে কম গুরুত্বপূর্ণ প্রসাধনীগুলো পরের মাসে কেনা যেতে পারে।

- অদ্বিতী