রবিবার,২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
হোম / সম্পাদকীয় / নারীর অবদানের উপযুক্ত মূল্যায়ন চাই
১১/১৬/২০১৬

নারীর অবদানের উপযুক্ত মূল্যায়ন চাই

- তাসমিমা হোসেন

আমাদের চারদিকে অনেক হতাশার সংবাদ। নারী নিগ্রহ বেড়ে চলেছে আশঙ্কাজনক হারে। হিংসা বিদ্বেষের কলুষে বিষে সমাজদেহ জর্জরিত। তারই মধ্যে যখন কোনো আশা জাগানিয়া খবর জানা যায়, তখন আনন্দে গর্বে আমরা উদ্বেলিত উদ্দীপিত হই। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে একটি বিষয়ে সবার ওপরে আছে। এই বিষয়টি হলো নারীপুরুষের সমতা (জেন্ডার ইক্যুইটি)। বিশ্বের ১৪৪টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের ঠাঁই হয়েছে ৭২ নম্বরে।

ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরামের (ডাব্লিউইএফ) ২০১৬ সালের গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ ইনডেক্সে উঠে এসেছে ইতিবাচক এই তথ্য। সেখানে বলা হয়বা: বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অগ্রগতি ঘটেছে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে। গোটা বিশ্বের নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের প্রশ্নে এখন বাংলাদেশের স্থান সপ্তমে। দশ বছর আগে ২০০৬ সালে এই অবস্থান ছিল ১৭তম।

সাম্প্রতিক কালের আরো একটি সংবাদ: গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীর অবদান পুরুষের তুলনায় বেশি-৫৩ শতাংশ। গত এক দশকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রমে এক কোটি ৩০ লাখ বাড়তি শ্রমশক্তি যুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৫০ লাখই নারী শ্রমিক। জাতীয় জীবনের সর্বক্ষেত্রে নারীর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রকৃত ও যথার্থ মূল্যায়ন হলে দেশ লাভবান হবে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নতুন ইতিহাস সৃষ্টির উজ্জ্বল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সেটা বাস্তবে রূপ নিতে পারলো না। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হেরে গেলেন প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিলারি ক্লিনটন। উন্নত দেশেও পুরুষতান্ত্রিকতাই জয়ী হলো শেষ পর্যন্ত। এমন দুর্ভাগ্যের অবসান কবে হবে?