শুক্রবার,১৯ Jul ২০১৯
হোম / ফিচার / জার্সিতে নিজের নাম
০৭/০৫/২০১৯

জার্সিতে নিজের নাম

- অনন্যা ডেস্ক

এবার আর হলুদ কিংবা আকাশি-সাদা জার্সির জন্য কাড়াকাড়ি নয়। লাল-সবুজে ভরে যাবে হাটমাঠ-পথঘাট-ক্যা€úাস। বাংলাদেশ দলের টুয়েল ম্যান তো সমর্থকেরাই! এর জন্য জার্সিও তো চাই। পিঠে আবার লেখাতে হবে নিজের নাম, না হলে মন যে ভরে না। সেই নামের সঙ্গে দিতে হবে ন€^র। কেউ দেবে ৭৫, কেউ ২, কেউ ২৮।

বিশ্বকাপের জার্সি পাওয়া যাবে শুধু নির্দিষ্ট কিছু দোকান ও বিক্রেতার কাছে, দাম ১১৫০ টাকা। এই নির্দেশনাকে কাঁচকলা দেখিয়ে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম ও বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ হয়ে গেছে জার্সির খুচরা ও পাইকারি বাজার। স্টেডিয়ামের দোকানগুলোতে বাংলাদেশের ফাঁকে-ফোকরে আছে অন্যান্য দেশের জার্সিও।
এর কারণ হিসেবে অনেকেই বললেন যে, তাঁরা অফিশিয়াল জার্সির দাম ও মানের সঙ্গে বিস্তর ফারাক দেখছেন। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে দোকানগুলোয় জার্সির দাম পাঁচশ থেকে হাজার টাকা। তাই সেই জার্সি কিনে নিচ্ছেন অনেকেই।

ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের জার্সির বাজার ‘টুইন টাওয়ার’ মার্কেট। যার আরেক নাম সমবায় মার্কেট। মার্কেটের ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত শুধু জার্সি আর জার্সি। জার্সিতে মনমতো নাম, নকশা আর ন€^র বসানোর পাইকারি বাজারও এটি। মার্কেটটির সিঁড়িতে সিঁড়িতে বসা স্ক্রিন প্রিন্টের দোকানে জার্সিতে নাম লেখানো হয়। জার্সির কেনাকাটার মতো এইখানে ধুম নেই খুব, তবে নাম লেখাতে দূর-দূরান্ত থেকে আসছেন অনেকেই। আর দোকানিদের হাতেও আছে বেশ কাজ। টুইন টাওয়ারে জার্সিতে নাম লেখাতে খরচ পড়ে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের মার্কেটের দোকানিরা নাম লেখাতে নেন ৩০০। ওই দোকানিরাও আসলে শেষ পর্যন্ত টুইন টাওয়ারে এসে করিয়ে নেন কাজ। বাকিটা তাদের মুনাফা। জার্সির নাম লেখানো কারবারেও যে মধ্যস্বত্বভোগী আছে, কে জানত!
এছাড়াও এবারের বিশ্বকাপের দলগুলোর জার্সি পাওয়া যাচ্ছে অনলাইন শপ চজওণঙঝঐঙচ.ঈঙগ-এ। অনলাইন শপে কেনার সময়েই অর্ডারের মাধ্যমে জার্সিতে লিখিয়ে নেয়া যাবে নিজের নাম ও পছন্দের নম্বর।