মঙ্গলবার,১৬ অক্টোবর ২০১৮
হোম / ফিচার / নারীর নিরাপত্তায় আত্মরক্ষার কৌশল
১০/০৪/২০১৮

নারীর নিরাপত্তায় আত্মরক্ষার কৌশল

-

সময়ের হাত ধরে আদিম ও বর্বর যুগ পেরিয়ে মানুষ এখন সভ্য সমাজব্যবস্থায় বসবাস করছে। তবে পৃথিবীর নানাপ্রান্তে এখনো তথাকথিত আধুনিক সমাজ অনেকের জন্যই অনিরাপদ। এই যেমন বাংলাদেশের কথাই ধরুন না। দুঃখের বিষয় হলেও এটাই সত্যি যে, আমাদের দেশে এমন অনেক স্থান বা পরিস্থিতি রয়েছে যেখানে নিজ জীবনের নিরাপত্তা একেবারেই অনিশ্চিত। আর আপনি যদি একজন নারী হন, তবে বলতেই হয় বিষবাষ্পে ভরা সমাজের পথেঘাটে চলার পথে কখনো না কখনো একবার হলেও কিছু মানুষরূপী পশুদের বিকৃত মানসিকতার পরিচয় পেয়েছেন।

বাংলাদেশে একজন নারী কতটা নিরাপদ?
যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাব নারী-পুরুষনির্বিশেষে এ দেশের অন্যতম প্রধান জাতীয় সমস্যা বলা চলে। তবে নারীদের ক্ষেত্রে তা শুধু সমস্যা নয়, বরং প্রতিদিনের জীবনে সবচেয়ে বড় হুমকির নাম। বিগত কয়েক দশকে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে নারীর প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ বেড়েছে, কাজের সুযোগও তৈরি হয়েছে। তবে দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের নেপথ্যে নিরলস পরিশ্রম করে চলা এই নারীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঠিক কতটুকু উন্নতি হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিকৃত মানসিকতার কিছু মানুষের কারণে শহর থেকে গ্রামের রাস্তাগুলো ক্রমেই নারীর জন্য বিষাক্ত হয়ে উঠেছে। প্রতিদিনই ইভটিজিং, খুন, ধর্ষণ, ছিনতাই, যৌনহয়রানির মতো ঘৃণ্য অপরাধের শিকার হচ্ছেন এ দেশের নারীরা। মাত্র স্কুলে পা রাখা ছোট্ট মেয়ে থেকে শুরু করে, কর্মজীবী নারী, গার্মেন্টসকর্মী, গৃহিণী; কমবেশি সবাই এ ধরনের নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। বাসা, অফিস-আদালত, গণপরিবহন এমনকি দিনের আলোতে রাস্তা-ঘাটে প্রতিনিয়ত নানাধরনের হয়রানির শিকার নারীদের অবস্থা কতটা ভয়াবহ তা নিম্নোক্ত পরিসংখ্যানগুলোতেই প্রকাশ পাবে।

- অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গিয়েছে, এ দেশে শতকরা ৮০ ভাগ নারী রাস্তায় এবং ৭০ ভাগ নারী স্কুল-কলেজের বাইরে হয়রানির শিকার হন।

- একই প্রতিষ্ঠানের ‘চলাচলের স্বাধীনতাঃ শহরাঞ্চলের গণপরিবহনে নারীদের অভিজ্ঞতা’ নামক এক গবেষণায় দেখা যায়, দেশের প্রায় ৮৪ শতাংশ নারী যাত্রী গণপরিবহনে কোনো না কোনোভাবে যৌন হয়রানির শিকার হন।

- ব্র্যাক, ব্ল্যাস্ট, নারীপক্ষ, ক্রিশ্চিয়ান এইড, ও এসএনভি- এদের মিলিত উদ্যোগে ‘সজাগ’ নামক এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয় পোশাকশিল্পে কমরত নারীর ২২ শতাংশ কারখানার ভেতর এবং বাইরে শারীরিক, মানসিক এবং যৌন নির্যাতনের শিকার হন।

- মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)-এর হিসেব অনুযায়ী চলতি বছরের প্রথম তিনমাসে দেশে ১৮৭ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। বিগত কয়েক বছরে গড়ে সাতশ থেকে আটশ (কোন কোন বছরে তা হাজার ছাড়িয়েছে) নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।

- বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১৫ থেকে ২০১৭-এই দুই বছরে ৭৫৪ টি ইভটজিং-এর ঘটনা সংবাদমাধ্যমে এসেছে। এর বাইরেও অসংখ্য ঘটনা রয়েছে, যা লোকচক্ষুর অন্তরালে থেকে গিয়েছে। হয়রানির শিকার হয়ে এ সময় ৫০জন মেয়ে আত্মহত্যা করেছে।

আত্মরক্ষার কৌশল শেখা যখন আবশ্যক
উপরোক্ত তথ্য-উপাত্ত জানার পর নেহাতই অসচেতন মানুষটিও এখন মানতে বাধ্য হবেন নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো ন্যূনতম ব্যবস্থা এই সমাজে নেই। তাই নিরাপত্তার দায়িত্ব এখন নিজের কাঁধেই নিতে হবে নারীকে। কথাটা কেবল নারীর জন্যই সত্য না। ছিনতাই-খুনসহ নানাবিপদময় পরিস্থিতি মোকাবেলায় আত্মরক্ষার কৌশল জানাটা সব লিঙ্গ, ধর্ম এবং বর্ণের মানুষের জন্যই জরুরি। এক্ষেত্রে মার্শাল আর্ট শেখাটা আত্মরক্ষার কাজে সবচেয়ে বেশি কাজে আসবে। সাধারণত পৃথক পৃথক খেলা হিসেবে বিবেচিতত হলেও কুংফু, কারাতে, জুডো কিংবা তায়কোয়ান্দো; অর্থ্যাৎ নানাধরনের মার্শাল আর্ট হতে পারে খালি হাতে লড়াই করার সেরা অস্ত্র। আত্মরক্ষার এই কৌশলগুলো সম্পর্কে চলুন এবার জেনে নেওয়া

কুংফু
খালি হাতে আত্মরক্ষার কৌশলগুলোর মধ্যে প্রাচীনতম এক মার্শাল আর্ট হলো কুংফু। চীনে যুদ্ধবিষয়ক প্রাচীন শিল্পকলার উজ্জ্বল একটি নিদর্শন হচ্ছে কুংফু যার অনুশীলন আপনাকে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলায় সিদ্ধহস্ত করবে।

কারাতে
জাপানি শব্দ কারাতের মানে হচ্ছে ‘খালিহাত’। বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝিতে মল্লযুদ্ধের কৌশলহিসেবে কারাতে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। বিচিত্র কলাকৌশলের এই মার্শাল আর্ট টেকনিক আপনাকে করে তুলবে আত্মবিশ্বাসী এবং অসীম সাহসী।

জুডো
জুডো একটি আধুনিক মার্শাল আর্ট এবং মল্লযুদ্ধবিষয়ক খেলা। প্রতিপক্ষকে মাটিতে নিক্ষেপ করা বা আছাড় মারা, আঁকড়ে ধরে অথবা বল প্রয়োগে আবদ্ধ করার, অথবা শ্বাস রোধের করে প্রতিপক্ষকে আত্মসমর্পণ করাতে বাধ্য করার কৌশল জুডোর বিশেষত্ব। বলার অপেক্ষা রাখে না আত্মরক্ষায় এই কৌশলগুলোর কার্যকারিতা অপরিসীম।

তায়কোয়ান্দো
তায়কোয়ান্দোতে বেশি হয় পায়ের ব্যবহার। এছাড়াও শরীর মুচড়ে আক্রমণকারীর নাগাল থেকে বের হয়ে আসা কিংবা তাকে উলটে ফেলে দেওয়ার মতো কৌশলগুলোও শিখে ফেলা যায় এসব প্রশিক্ষণের ভেতরেই। দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্ভব ঘটা এই কৌশল অনুশীলনকারীদের দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় মার্শাল আর্ট।

এবার আসা যাক দেশিয় প্রেক্ষাপটে মার্শাল আর্ট শেখার সুযোগ-সুবিধা প্রসঙ্গে। বাংলাদেশে এখন বিভিন্ন স্থানে বিশেষ করে ঢাকায় মার্শাল আর্ট শেখার অসংখ্য সেন্টার রয়েছে। এগুলো যেহেতু আলাদা আলাদা খেলা, তাই সরকারিভাবে কারাতে, জুডো ইত্যাদি ফাউন্ডেশনও রয়েছে। এছাড়া বেসরকারি উদ্যোগে স্বীকৃত প্রশিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছে বেশ কিছু মার্শাল আর্ট সেন্টার। যার মধ্যে অনেকগুলো ঠিকানা পাঠক এই লেখায় পাবেন। মূলত আত্মরক্ষার জন্য বলা হলেও কারাতে-জুডোর মতো এই মার্শাল আর্টগুলো খেলা, ব্যায়াম এমনকি চিত্তবিনোদনের মাধ্যম হিসেবেও জগদ্বিখ্যাত। এ নিয়ে কথা হলো রাজধানীর ইয়ং টাইগার কুংফু স্কুলের ধানমন্ডি শাখার প্রশিক্ষক ওস্তাদ মোহাম্মদ মনসুরের সাথে। তিনি বলেন, “শুধুমাত্র সেলফ ডিফেন্স নয়, এর পাশাপাশি ফিটনেস, খেলাধুলা এমনকি অবসাদ কাটানোর মাধ্যম হিসেবে যে-কোনো মার্শাল আর্ট কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। এককথায় গান-নাচ, গল্প-কবিতার মতো মার্শাল আর্টও এক ধরনের শিল্পকর্ম।”

তবে বিশ্বজুড়ে এই শৈল্পিক এবং একই সাথে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের এই জনপ্রিয় হাতিয়ার সম্পর্কে এ দেশের অধিকাংশ মানুষই বিস্তারিত জানেন না। অনিরাপদ স্থানে ভরপুর এই দেশে নারীর আত্মরক্ষায় মার্শাল আর্টের প্রচলন বেশি হওয়াটা একান্ত জরুরি হলেও এতে নারীর অংশগ্রহণ তুলনামূলক বেশ কম বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞরা। বর্তমানে শহুরে উচ্চবিত্ত সমাজের অভিভাবকেরা ধীরে ধীরে তাদের মেয়েদের জুডো-কারাতে-কুংফু বা তায়কান্দো শেখাতে পাঠালেও মধ্যবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষরা এর সঙ্গে একেবারেই নয় বলে জানিয়েছেন ওস্তাদ মনসুর। তার মতে, “আমাদের দেশে নানা অসঙ্গতির কারণে আউটডোরে মেয়েদের মার্শাল আর্ট শেখানোর কালচার এখনো শুরু করা সম্ভব হয়নি। তাই ইনডোরের তুলনায় আউটডোর প্র্যাকটিস হয় এমন জায়গায় মেয়েদের উপস্থিতি একেবারেই কম। এছাড়া দেশে পর্যাপ্ত নারী প্রশিক্ষক না থাকায় অনেক অভিভাবকই মেয়েদের মার্শাল আর্টে দিতে চান না।”

অভিভাবকদের দিক থেকে বিবেচনা করলে নিজ মেয়েকে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণে পাঠানোর ক্ষেত্রে সামাজিক ও ধর্মীয় বাধাই মূল প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দেখা দেয়। এর পাশাপাশি সচেতনতার অভাব এবং এ-ধরনের প্রশিক্ষণের পেছনে খরচও অন্যতম কারণ। এ-প্রসঙ্গে কথা হলো রাজধানীর মোহাম্মদপুর নিবাসী কর্মজীবী অভিভাবক সাবিনা রশিদের সঙ্গে। তিনি বলেন, “কয়েক বছর আগে পহেলা বৈশাখে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেটে নারীর উপর যৌনহয়রানি দেখে সিদ্ধান্ত নিই মেয়েকে মার্শাল আর্ট শেখাবো। আমরা স্বামী-স্ত্রী দুজনেই যেহেতু কর্মজীবী; স্কুল-কোচিং থেকে মেয়ের আসা-যাওয়া নিয়ে প্রায় দুশ্চিন্তায় ভুগতাম। তবে গত দুই বছরে এই চিন্তা অনেকটাই কমেছে। আমার মেয়ে দিনে দিনে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে, শৃংখলাজ্ঞান আর খেলাধুলার অভাবও মিটেছে এর মাধ্যমে।” সব শ্রেণির অভিভাবকদের এ বিষয়ে সচেতন করতে সরকারি উদ্যোগে স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন সেন্টারে কম খরচে নানা মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ চালু করার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

ঘর-সংসার এবং কর্মজীবনের মতো নিরাপত্তার দায়িত্বও নারী নিজের কাঁধে তুলে নিয়ে সফলতা অর্জন করতে পারে। আত্মরক্ষার পাশাপাশি ফিটনেস, নিয়মানুবর্তিতা, মানসিক শান্তি; এককথায় বহুমাত্রিক গুণসমৃদ্ধ এই কৌশলগুলো নারীকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে টনিকের মতো কাজ করবে, দেশের নারী হয়ে উঠবে আরো আত্মবিশ্বাসী ও স্বনির্ভর।

কোথায় শিখবেন মার্শাল আর্ট?
শহরগুলোতে কারাতে কিংবা তায়কোয়ান্দো শেখানোর অনেক প্রতিষ্ঠান আছে। বিশেষ করে বিভিন্ন ক্রীড়া কমপ্লেক্সে এ ধরনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা আছে। তেমনই কিছু প্রতিষ্ঠানের খোঁজখবর দেওয়া গেল এখানে।

ঢাকায়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জুডো-কারাতে সেন্টার
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছাড়াও যে কেউ প্রশিক্ষণের জন্য ভর্তি হতে পারেন এই সেন্টারে।
ঠিকানাঃ শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্র, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
ফোনঃ ০১৭১৫৯১৪০৫৭

ইয়াং টাইগার কুংফু স্কুল
গুলশান, ধানমন্ডি ও ডেমরায় এই স্কুলের শাখা আছে
ফোনঃ ০১৯২০৭১৩২৭২
ওয়েবঃ www.kungfubd.com

বাংলাদেশ কারাতে দো
সপ্তাহে প্রতিদিন প্রশিক্ষণ
ঠিকানাঃ ২৭৮/৩ (দ্বিতীয় তলা) এলিফ্যান্ট রোড, কাঁটাবন।
ফোনঃ ০২-৮৬২৫৩৫৮

শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়াম
সপ্তাহে তিন দিন প্রশিক্ষণ
ঠিকানাঃ শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়াম, মিরপুর।
ফোনঃ ০১৭১৭১১৩৩৪৩

ইয়াং ড্রাগন মার্শাল আর্ট
সপ্তাহে শুধুমাত্র শুক্রবার সকালে প্রশিক্ষণ
ঠিকানাঃ মহাখালী আইপ্যাক স্কুলের সামনের মাঠ।
ফোনঃ ০১৭২৯৭৭০২৩৯

উত্তরা কারাতে দো দোজো
সপ্তাহে তিন দিন প্রশিক্ষণ
ঠিকানাঃ বাড়ি ৩, রোড ৪, সেক্টর ১, উত্তরা মডেল টাউন।
ফোনঃ ০১৭১৭০৪৮২২৭

বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশন
ঠিকানাঃ কক্ষ : ২৩৬-২৩৭, মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়াম।
ফোনঃ ০১৭১২২২৯১১৭, ০১৯১১৫৯৬৩৬৭

বাংলাদেশ সিতোরিউ কারাতে দো ইউনিয়ন
সপ্তাহে চারদিন প্রশিক্ষণ
ঠিকানাঃ জাতীয় ক্রীড়া কাউন্সিল জিমনেসিয়াম, ৬২/৩ পুরানাপল্টন।
ফোনঃ ০২-৯৫৬৯১৪৩, ০১৭১১৮৩৯৩৪৫

বাংলাদেশ ড্রাগন কারাতে অ্যাসোসিয়শন
ঠিকানাঃ আসানো রহমান টাওয়ার, ২৫/এফ/৬, নর্থ শ্যামলী, ফ্ল্যাট : এ-১, পশ্চিম আগারগাঁও।
ফোনঃ ০১১৯৭১৫৪১১৮

সুলতানা কামাল মহিলা কমপ্লেক্স
রোড-১১, ধানমন্ডি, ঢাকা ১২০৫।
ফোনঃ ০২-৯১১৯৭০৪

বাংলাদেশ জুডো ফেডারেশন
ঠিকানাঃ কক্ষ ২৩২, মওলানা ভাসানী জাতীয় হকি স্টেডিয়াম।
ফোনঃ ০১৫৫২৪৯৯৯০৭

ব্ল্যাক বেল্ট একাডেমি
সপ্তাহে ছয় দিন প্রশিক্ষণ
ঠিকানাঃ নার্গিস হাউস, বাড়ি ৬ (নিচতলা), রোডঃ ১১৩/এম, গুলশান।
ফোনঃ ০১৮৪০৫৫৫৫৭৭

সোবহান মার্শাল আর্ট
ঠিকানাঃ রোড ৭/এ, বাড়ি ৮৪ (ষষ্ঠতলা), ধানমন্ডি।
ফোনঃ ০১৭১১৫২৯৩৮১

বাংলাদেশ তোরা অনি মুশা দোজো
ঠিকানাঃ ৩৪/১, সতীশ সরকার রোড, গেন্ডারিয়া, ঢাকা।
ফোনঃ ০১৯২৪-৭৩৯৩২৪

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় মার্শাল আর্ট ক্লাব
ঠিকানাঃ জিমনেশিয়াম, জাবি।
ফোনঃ ০১৬৮৪-৭২৭৪৭৩

এছাড়াও বনশ্রীর ওসমানী স্পোর্টস স্কুল, স্কলাসটিকা স্কুল, ভিকারুননিসা নূন স্কুল, ইন্টারন্যাশনাল টার্কিশ হোপ স্কুল, ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা, মোহাম্মদপুর মডেল স্কুল,আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মণিপুর স্কুলসহ ঢাকার বিভিন্ন স্কুলেই দেওয়া হচ্ছে কারাতের প্রশিক্ষণ।

চট্টগ্রামে
চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা।
ঠিকানাঃ সিজেকেএস ভবন তৃতীয়তলা, এমএ আজিজ স্টেডিয়াম।
ফোনঃ ০৩১-৬৩৭৮৫২

হোনকে সোতোকান কারাতে-দো অ্যাসোসিয়েশন
ঠিকানাঃ ৬৪ এস এস খালেদ রোড, উত্তর আসকার দীঘি।
ফোনঃ ০১৮১৭৭০০৭০০

খুলশী কারাতে ক্লাব
ঠিকানাঃ ১০ জাকির হোসেন রোড, দক্ষিণ খুলশী-২ নম্বর রোড।
ফোনঃ ০১৮১৯৬৪৮৪৫৬

ফুলকি
ঠিকানাঃ ৪৬, বৌদ্ধমন্দির সড়ক, নন্দনকানন।
ফোনঃ ০৩১-৬১৮১৩৭

চট্টগ্রাম মার্শাল আর্ট একাডেমি
ফোনঃ ০১৭১৩৬০৩৩৩১

এছাড়া বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের ওয়েব সাইট http://www.bantkd.com এ গেলে পাবেন বিভিন্ন জায়গায় আসন্ন তায়কোয়ান্দো প্রশিক্ষণের খোঁজখবর।

খরচ
মার্শাল আর্টের ধরন এবং প্রশিক্ষণের ব্যাপ্তিভেদে মাসিক সর্বনিম্ন ৫০০ থেকে সর্বোচ্চ ১৫০০ টাকা ফি’র বিনিময়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। আর ভর্তি ফি প্রায় সব জায়গায়ই ১০০০ টাকার ওপরে।

- নাইব মোহাম্মদ রিদওয়ান, সাজ্জাদ
ছবিঃ ব্ল্যাকবেল্ট অ্যাকাডেমি/রাজীব ধর