সোমবার,২৩ অক্টোবর ২০১৭
হোম / জীবনযাপন / দরকারি সেক্স ফ্যাক্টস
০৭/১৭/২০১৭

দরকারি সেক্স ফ্যাক্টস

-

সঙ্গীর সঙ্গে সেক্স বা যৌনমিলন প্রতিটি মানুষের জীবনে স্বাভাবিক একটি অংশ। তবে সেক্স শুধুমাত্র জৈবিক চাহিদাই নয়, এর রয়েছে বিভিন্ন শারীরিক এবং মানসিক সুফল। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের মতে সেক্স একেবারে বিজ্ঞানসম্মত ব্যাপার। সঙ্গীর সঙ্গে সঠিকভাবে এবং পূর্ণ উপভোগ্য সেক্স লাইফ লিড করতে হলে কিছু বিজ্ঞানসম্মত টিপস অনুসরণ করতে হবে। সেক্স নিয়ে এমন অপরিচিত কিছু ফ্যাক্টস-এর সঙ্গে চলুন আজ পরিচিত হয়ে নিই।

আনন্দময় সেক্স লাইফের জন্য দরকার লোয়ার কোলেস্টেরল লেভেল
শরীরে কোলেস্টেরল লেভেল হাই হলে তা নানা জটিল রোগের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। একইভাবে সেক্স লাইফের জন্যও এটি ক্ষতিকর। বিশেষজ্ঞদের মতে সেক্স লাইফে খুশি নন এমন দম্পতির একটি বিরাট অংশেরই শরীরে কোলেস্টেরল লেভেল হাই। এমনকি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে উচ্চ কোলেস্টেরলের কারণে যৌনাজ্ঞের ক্ষতি হওয়ারও সম্ভাবনা আছে। শরীরে লোয়ার কোলেস্টেরল লেভেল সেক্স লাইফে আপনার পারফরম্যান্স ভালো করবে এবং একই সঙ্গে সম্পূর্ণ শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

সেক্সের মাধ্যমে ক্যালরি পোড়ানো যায়
শারীরিক সুস্থতার জন্য প্রতিটি মানুষকেই প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ ক্যালরি বার্ন করতে হয়। আর এই ক্যালরি পোড়ানোর জন্য ব্যায়াম বা শারীরিক কসরতে অনীহা আছে অনেকরই। তবে নিয়মিত সেক্সের মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমাণ ক্যালরি পোড়ানো সম্ভব হয়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে একবার সেক্সের মাধ্যমে একজন পুরুষ গড়ে ১০১ এবং নারী ৬৯ কালরি বার্ন করতে পারেন।

ইন্টারকোর্সের পরের মুহূর্ত বেশ গুরুত্বপূর্ণ
সেক্স শুধুমাত্র একটি শারীরিক চাহিদা নয়, এর সঙ্গে মানসিক নানাদিকও বেশ ভালোভাবে জড়িত। এক্ষেত্রে সেক্সুয়াল ইন্টারকোর্সের ঠিক পরের মুহূর্তগুলো সুন্দর এবং আনন্দময় বলে সেক্সের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এই মুহূর্তে একে অপরের সঙ্গে মৃদু চুম্বন বা আলিঙ্গন কিংবা কিছুটা সময় একসঙ্গে থাকাটা সম্পর্কের ভিত আরো মজবুত করবে এবং একই সঙ্গে সেক্স লাইফের পূর্ণ সুখ নিয়ে আসবে।

সেক্স আসক্তির জন্য শুধুমাত্র ব্যক্তি নয়, জিনগত কারণও থাকতে পারে
আমাদের সমাজে সম্পর্কের সংজ্ঞা অনেকের কাছে সেক্সেই সীমাবদ্ধ। অনেকের জীবনেই আবার একাধিক সেক্স পার্টনার রয়েছে। এমন ব্যক্তিকে প্লেবয় বা যে কোনো খারাপ বিশেষণে ডাকুন না কেন এর পেছনে ব্যক্তি পুরোপুরি দায়ী নয়। বিজ্ঞানীদের মতে অতিরিক্ত সেক্স করার প্রবণতা কিংবা সঙ্গী বদলানোর অভ্যাস অনেক সময় জিনগত হতে পারে। মানে ব্যক্তি পুরোপুরিভাবে না চাইলেও তার শরীর এবং মন একাজে তাকে বাধ্য করছে। তবে এটা যে একেবারেই ব্যক্তির দোষ নয়, তাও কিন্তু নয়। চাইলে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে এই অভ্যাস কমানো যেতে পারে।

সেক্স কখনোই নোংরা বা ভীতিকর ব্যাপার নয়
সামাজিক কারণে আমাদের দেশে ছোটবেলা থেকেই সেক্স নামের বিষয়টাকে অনেকে নোংরা কিংবা ভীতিকর ভাবেন যা একেবারেই বিজ্ঞানসম্মত নয়। বিজ্ঞানীদের মতে সেক্স প্রতিটা মানুষের জীবনে নিখাঁদ আনন্দের অন্যতম উৎস এবং বেশ পরিষ্কার একটা ব্যাপার। শারীরিক এবং মানসিকভাবে ভালো থাকতে এটি বিকল্পহীন।

সেক্সবিষয়ক সব ভুল ধারণা কিংবা মিথ ভালো করে যাছাই করে নেয়া উচিত। মনে রাখতে হবে সেক্স এডুকেশন শিক্ষার একটা বড় অংশ, শিক্ষিত-অশিক্ষিত সবার জন্যই আবশ্যক।

- আতিফ হাসান