বুধবার,২২ নভেম্বর ২০১৭
হোম / ফ্যাশন / সাধাসিধা পোশাক, জমকালো অনুষঙ্গ
০৪/০৪/২০১৭

সাধাসিধা পোশাক, জমকালো অনুষঙ্গ

-

উইকএন্ড মানেই নানারকম দাওয়াত, অনুষ্ঠান, বিয়েশাদি। আর এসব অনুষ্ঠানে গর্জিয়াস লুকে সেজে যেতে তো হবেই। কিন্তু এমন কিছু দিন থাকে যেদিন অফিস শেষ করে সেখান থেকেই সরাসরি যেতে হয় এধরনের কোনো অনুষ্ঠানে। অথবা অনেক সময় ব্যস্ততা বা আলসেমি যে কোনো কারণেই বেশি জমকালো পোশাক পরতে ভালো লাগে না, এমন দিনগুলোর জন্যই প্রয়োজন প্রপার অনুষঙ্গ।

সুন্দর একটি ব্যাগ, জুতা, কানের দুল পুরো আউটলুকই বদলে দিতে পারে। তাই খুব সাধারণ পোশাকেও নিজেকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে প্রয়োজন সঠিক অনুষঙ্গ। তবে এক্ষেত্রেও বেঁধে দেওয়া নিয়মে কিছুটা ব্যতিক্রম আনা যেতে পারে। অনুষঙ্গ বাছাইয়ের এমনই কিছু খুঁটিনাটি দিক এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হলো।

কানের দুল
শাড়ির সঙ্গে কনট্রাস্ট ব্লাউজ বা কামিজ আর ওড়নার রংয়ে ভিন্নতা, এই ফ্যাশনটি এই জামানায় অনেক ফ্যাশন সচেতন নারীর কাছেই প্রিয়। ওই একই ধারায় এখন যুক্ত হয়েছে গয়নাও। পোশাকের রংয়ের সঙ্গে মিলিয়ে কানের দুল বাছাইয়ের রীতি এখন বেশ পুরানো। তাই এখন কানের দুল নিয়েও এক্সপেরিমেন্ট করতে পারেন নির্দ্বিধায়।

এছাড়া এখন ইয়ার কাফও পরছেন তরুণীরা। এক কানে ঝোলানো কাফ আর অন্য কানে ছোট দুল। চাইলে রংবেরংয়ের ফেদার এয়ার রিংও পরতে পারেন। এক রঙা জামার সঙ্গে হরেকরঙা ফেদার রিং বেশ ভালো লাগবে।

চোকার
নব্বইয়ে দশকে চোকার ছিল ফ্যাশনেবল নারীদের পছন্দের তালিকার শীর্ষে। প্রায় দুদশক পর আবার ফিরে এসেছে আঁটসাঁট সাদামাটা ওই নেকলেস। সাধারণ কালো ভেলভেট লেস বা লেদার স্ট্রিপ দিয়েই তৈরি হয় চকার। সঙ্গে যোগ হয় ছোট পেনডেন্ট। আবার বিভিন্ন নকশার লেইস দিয়েও চোকার তৈরি করা হয়। সালোয়ার-কামিজ, স্কার্ট-টপস বা গাউন যে কোনো পোশাকের সঙ্গেই মানিয়ে যায় চোকার। এখন আবার বিভিন্ন মেটালের তৈরি চোকারও পাওয়া যাচ্ছে অহরহ।

ভিন্নধর্মী জুতা
গ্লিটার, ব্রুচ বা স্টোন বসানো স্যান্ডেল আর জুতা সবসময়ই গ্ল্যামারাস। পুরো লুকে আলাদা একটি জমকালো ভাব ফুটিয়ে তুলতে এ ধরনের জুতার জুড়ি নেই। তাই যে কোনো উৎসবে পুরো আউটলুকে গর্জিয়াস ভাব ফুটিয়ে তুলতে এ ধরনের জুতা বা স্যান্ডেল বেছে নেওয়া যেতে পারে। ফ্যাশনেবল জুতা যে শুধু হাই হিল হতে হবে তা কিন্তু নয়, নিচু স্যান্ডেল বা ব্যালেরিনা শু-ও হতে পারে সমান আকর্ষণীয়।

ঘড়ি ও রিস্টলেটস
হাতভর্তি চুড়ি দেশিয় ফ্যাশনের অংশ হলেও এখন আর সবসময় সব অনুষ্ঠানে হাতভর্তি চুড়ি পরা সম্ভব হয় না, মানায়ও না। সেক্ষেত্রে মোটা বালা বা রিস্টলেটস বেশ মানানসই। বিয়ে বা জমকালো অনুষ্ঠানে হাতভর্তি চুড়ির বদলে রিস্টলেট বা বালা পরা যেতে পারেন। এছাড়া এক হাতে চুড়ি বা বালা পরে অন্য হাতে ঘড়িও বেশ লাগবে।

তবে অফিশিয়াল পার্টি বা ফরমাল কোনো অনুষ্ঠানে সব থেকে ভালো লাগে সুন্দর ঘড়ি। আর হালফ্যাশনে একটু বড় ডায়ালের ঘড়িই বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বেল্ট বা চেইন যে কোনো স্টাইলের ঘড়ি পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে পরা যেতে পারে।

আসলে পোশাক যেমনটাই হোক না কেন, তা সুন্দরভাবে উপস্থাপন করাই সব থেকে বড় বিষয়। আর একটি সুন্দর পোশাকের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে সঠিক অনুষঙ্গ বাছাই অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

- বেলা দত্ত